AB Bank
  • ঢাকা
  • রবিবার, ০৭ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ইন্দোনেশিয়ায় নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১১:৪৯ এএম, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার

ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশে ১১ জন আরোহী নিয়ে নিখোঁজ হওয়া একটি মৎস্য নজরদারি বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছে উদ্ধারকারী দল। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে কুয়াশাচ্ছন্ন পাহাড়ি এলাকায় বিমানটির বিভিন্ন অংশ শনাক্ত করা হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে জীবিত বা মৃত উদ্ধার করা যায়নি।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয় ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের মালিকানাধীন ‘এটিআর ৪২-৫০০’ মডেলের টার্বোপ্রপ বিমানটির। বিমানটিতে আটজন ক্রু সদস্য এবং তিনজন যাত্রী ছিলেন। যাত্রী তিনজনই ইন্দোনেশিয়ার সামুদ্রিক বিষয়ক ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, যারা মৎস্য সম্পদ পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন।

দক্ষিণ সুলাওয়েসি উদ্ধার সংস্থার প্রধান মুহাম্মদ আরিফ আনোয়ার জানান, বিমানের ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত হওয়ার পর আরোহীদের সন্ধানে উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ২০০ উদ্ধারকর্মী অভিযানে অংশ নিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হচ্ছে নিখোঁজদের খুঁজে বের করা। আমরা এখনও জীবিত উদ্ধারের আশা ছাড়ছি না।’

উদ্ধারকারীরা সকাল পৌনে ৮টার দিকে মারোস জেলার মাউন্ট বুলুসারাউং পাহাড়ের ঢালে বিমানের জানালা ও পেছনের অংশসহ বড় আকারের ধ্বংসাবশেষ দেখতে পান। ঘটনাস্থলটি রাজধানী জাকার্তা থেকে প্রায় এক হাজার ৫০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। যোগাকার্তা থেকে মাকাসারগামী পথে মাকাসার বিমানবন্দর থেকে আনুমানিক ২০ কিলোমিটার দূরে বিমানটি রাডার থেকে হারিয়ে যায়।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ও ঘন কুয়াশার কারণে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রবল বাতাস ও কুয়াশার মধ্যে পাহাড়ের গায়ে বিমানের বিভিন্ন অংশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।

এদিকে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা কমিটি তদন্ত শুরু করেছে। উল্লেখ্য, এটিআর ৪২-৫০০ মডেলের বিমান সাধারণত ৪২ থেকে ৫০ জন যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হয়। ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইট ‘ফ্লাইটরাডার ২৪’-এর তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি খুব নিচু উচ্চতায় উড়ছিল, যার ফলে সংকেত শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!