AB Bank
  • ঢাকা
  • রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

পর্দায় ফিট, বাস্তবে ব্যতিক্রমী জীবনযাপন জয়ার


Ekushey Sangbad
বিনোদন ডেস্ক
০৯:৫৮ পিএম, ২৬ জুলাই, ২০২৬

পর্দায় ফিট, বাস্তবে ব্যতিক্রমী জীবনযাপন জয়ার

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান সম্প্রতি কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমায় অভিনয় করে দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। পর্দায় নিজেকে সবসময় ফিট ও প্রাণবন্ত রাখতে শিল্পীদের নানা ধরনের শারীরিক অনুশীলনের প্রয়োজন হয়। তবে এ ক্ষেত্রে অনেকটাই ব্যতিক্রম জয়া আহসান।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, নিয়মিত জিমে যাওয়ার অভ্যাস তার নেই। ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’–এর শুটিং শুরুর কয়েক মাস আগে চরিত্রের প্রয়োজনে তিনি জিমে যাওয়া শুরু করেছিলেন। সে সময় পিলাটিজের মাধ্যমে শরীরচর্চা করে নিজেকে প্রস্তুত করেন। তবে প্রচলিত ফিটনেস রুটিনে তিনি খুব একটা অভ্যস্ত নন।

জয়ার ভাষায়, নিয়মিত জিম না করলেও প্রকৃতির সান্নিধ্য ও কৃষিকাজই তাকে শারীরিকভাবে সক্রিয় এবং মানসিকভাবে প্রাণবন্ত রাখে।

তিনি বলেন, “জিম করা যে দরকার, তা আমি অস্বীকার করি না। কিন্তু নিয়মিত জিম করা হয় না আমার। আসলে প্রত্যেকে নিজের মতো করে ফিট থাকার চেষ্টা করেন। আমি যেমন চাষ করি। সে সময় মাটি তৈরি করা থেকে শুরু করে প্রয়োজন হলে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও করি।”

অভিনেত্রীর এই ব্যতিক্রমী জীবনযাপন ও প্রকৃতিনির্ভর শরীরচর্চার অভ্যাস ইতোমধ্যেই ভক্তদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বাড়িতে হরেকরকম সবজির চাষ হয়। খাবারের থালাতেও সেই সবিজ রাঁধা পদই থাকে। বাড়িতে তৈরি সবজি দিয়ে রাঁধা খাবারই বেশি পছন্দ তার। ফলে রাসায়নিক সারের ভীতি থাকে না। নিজে চাষ করে খাওয়াদাওয়ারই পক্ষপাতি জয়া। তবে কালেভদ্রে যে বাইরের খাবার খান না, তা নয়। পিৎজা তার খুবই পছন্দের একটি খাবার। তা ছাড়া জাঙ্ক ফুডের প্রতি তত প্রীতি নেই তার।

জয়া বলেন, যদি জাঙ্ক ফুড খেয়েও ফেলি, তা নিয়ে অপরাধবোধে ভুগি না আমি। কারণ মাঝে মাঝে মন ও আত্মাকেও খাওয়ানো উচিত বলে মনে করি। আর খুব বেশি সতর্ক হয়ে গেলে খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতা উপভোগ করবেন কীভাবে বলে জানান এ অভিনেত্রী।

No photo description available.
 

পুষ্টিবিদ অনন্যা ভৌমিক বলেন, চাষ করার চেয়ে ভালো শারীরচর্চা আর কী-ই বা হতে পারে! যারা নিয়মিত চাষবাস করেন, তাদের যে কেবল ক্যালোরি ঝরে, তা-ই নয়, পেশি মজবুত হয়, টোনিংয়ের কাজও হয়। তা ছাড়া সূর্যালোকের সংস্পর্শে শরীরে ভিটামিন ডির মাত্রা বেড়ে যায়। এই ভিটামিন শরীরের হাজারো কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অনন্যা ভৌমিক আরও বলেন, আদিম যুগে কি জিম ছিল? যন্ত্র বা ব্যায়ামের নতুন ধারাও তখন আবিষ্কার হয়নি। তখন তারা ক্ষেতের কাজ করতেন, মাছ ধরতে যেতেন, কেউ বা শিকারে যেতেন। আর এসব কাজই একটা মানুষকে সুস্থ রাখতে পারে। যত কায়িক শ্রম হবে, ততই শারীরবৃত্তীয় কাজ স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হবে। এর পাশাপাশি নিজের হাতে তৈরি সবজি দিয়ে রান্না করা খাবার খাওয়ার মতো স্বাস্থ্যকর কী-ই বা হবে।

No photo description available.

বাগান হোক বা চাষের কাজ করা হোক, পুষ্টিবিদের মতে, এই সমস্ত কাজ মনকে আনন্দ দেয়। ফলে শরীরে ‘হ্যাপি হরমোন’-এর ক্ষরণ বাড়ে, আবার স্ট্রেস হরমোন অর্থাৎ কর্টিসলের মাত্রা কমে। সব মিলিয়ে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্যও মাঠেঘাটে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

পুষ্টিবিদের পরামর্শ, যারা চাষের ক্ষেতে কাজ করার সুযোগ পান না, তারা বড় করে বাগান করতে পারেন। অনেকটা জায়গাজুড়ে হাঁটাচলা করা, ঘোরাঘুরি করার মাধ্যমেও শরীর বেশ সক্রিয় থাকে। কিন্তু ছোটখাটো বাগানে এই উপকারিতাগুলো মিলবে না।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!