AB Bank
  • ঢাকা
  • সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

১৭ দিনে বইমেলায় আনুমানিক ১৭ কোটি টাকার বই বিক্রি


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৪:৫৩ পিএম, ১৫ মার্চ, ২০২৬

১৭ দিনে বইমেলায় আনুমানিক ১৭ কোটি টাকার বই বিক্রি

চলতি বছরের অমর একুশে বইমেলায় ১৭ দিনে অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিক্রির তথ্য অনুযায়ী প্রায় ১৭ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছে মেলা পরিচালনা কমিটি।

রোববার (১৫মার্চ ) বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য-সচিব সেলিম রেজা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মেলায় অংশ নেওয়া ২৬৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান তাদের বিক্রির হিসাব দিয়েছে, যেখানে প্রায় আট কোটি টাকার বই বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে। গড় হিসেবে হিসাব করলে মোট ৫৭০টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের বিক্রি মিলিয়ে তা প্রায় ১৭ কোটি টাকার মতো হতে পারে।

এবারের বইমেলায় মোট ৫৮৪টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৪টি ছিল মিডিয়া ও স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক এবং ৫৭০টি ছিল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। বাংলা একাডেমি নিজস্ব স্টলে ১৪ মার্চ পর্যন্ত ১৭ লাখ ৪ হাজার ৬২৯ টাকার বই বিক্রি করেছে।

মেলা পরিচালনা কমিটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে কম ইউনিট বরাদ্দ পাওয়া প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের বিক্রি তুলনামূলক বেশি হয়েছে। মেলায় বাংলা একাডেমিসহ সব প্রতিষ্ঠানের বই ২৫ শতাংশ কমিশনে বিক্রি হয়েছে।

বইমেলার তথ্যকেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ১৪ মার্চ পর্যন্ত ১৭ দিনে মেলায় ১ হাজার ৭৭১টি নতুন বই জমা পড়েছে। তবে সব প্রকাশিত বই তথ্যকেন্দ্রে জমা না হওয়ায় প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। একই সময়ে ২৫২টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হয়েছে।

এবারের বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৮ দিন। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রমজানের কারণে নির্ধারিত সময়ের পরে ২৬ ফেব্রুয়ারি মেলা শুরু করা হয়। মেলার মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’।

গত বছরের তুলনায় এবার বই বিক্রি ও প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে। গত বছর মাসব্যাপী আয়োজিত বইমেলায় আনুমানিক ৪০ কোটি টাকার বই বিক্রির তথ্য দিয়েছিল মেলা কর্তৃপক্ষ। তার আগের বছর ২০২৪ সালে প্রায় ৬০ কোটি এবং ২০২৩ সালে ৪৭ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছিল।

এবার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৫৮৪টি প্রতিষ্ঠানকে ১০৬৮টি ইউনিটে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়। কোনো প্রকাশনা সংস্থাকে প্যাভিলিয়ন দেওয়া হয়নি। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লিটলম্যাগ চত্বরে ৯০টি স্টল বরাদ্দ ছিল।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর স্টল ভাড়া মওকুফ করা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান আগে ভাড়া জমা দিয়েছিল, তাদের অর্থ ফেরত দেওয়া হচ্ছে।

এ বছর শিশু চত্বর মুক্তমঞ্চের সামনে বড় পরিসরে স্থাপন করা হয়, যাতে শিশুরা সহজে বই সংগ্রহ করতে পারে। প্রতি শুক্র ও শনিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ‘শিশুপ্রহর’ ঘোষণা করা হয়েছিল। শিশুদের জন্য আবৃত্তি, সংগীত ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পাপেট শো এবং বায়োস্কোপের আয়োজনও ছিল।

সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। এছাড়া শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সংস্কৃতি সচিব মো. মফিদুর রহমান।

প্রতিবেদনে সেলিম রেজা বলেন, বইমেলা শুধু বই কেনাবেচার জায়গা নয়; এটি দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ। এ কারণেই একে ‘মিলনমেলা’ বা ‘প্রাণের বইমেলা’ বলা হয়।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!