AB Bank
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সতর্কতা

আরো তীব্র হতে পারে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট


Ekushey Sangbad
অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক
০১:৪০ পিএম, ৩০ মে, ২০২৬

আরো তীব্র হতে পারে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে সম্ভাব্য বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)।

শুক্রবার  (২৯ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হলে আসন্ন গ্রীষ্মে বিশ্বজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিতে পারে।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় বিশ্বের তেলের মজুদ রেকর্ড গতিতে কমছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকালীন চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর আগেই তেলের মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে যেতে পারে।

সংস্থাগুলোর মতে, এর ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক বাজার এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হবে। একই সঙ্গে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে এবং বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি হবে।

তারা আরও জানিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে শুধু জ্বালানিই নয়, সারের দামও বাড়ছে। বিষয়টি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক, কারণ বিশ্বের অনেক দেশে বর্তমানে চাষাবাদের মৌসুম শুরু হয়েছে। সারের দাম বৃদ্ধি খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত করতে পারে এবং খাদ্য নিরাপত্তা সংকটকে আরও তীব্র করতে পারে।

সংস্থাগুলোর পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, কম আয়ের ও আমদানিনির্ভর দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার যেসব দেশ উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল ও গ্যাস আমদানি করে, তারা এই সংকটের বড় ধাক্কা মোকাবিলা করতে পারে।

এর আগে এপ্রিল মাসে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও আইইএ দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলোর জন্য সমন্বিত সহায়তা দিতে একটি যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেয়। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশের জন্য আর্থিক ও নীতিগত সহায়তার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে।

আইএমএফের প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা সম্প্রতি সংস্থাটির বসন্তকালীন বৈঠকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমাতে হয়েছে। তিনি জানান, সংকট মোকাবিলায় দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলোর জন্য দুই হাজার কোটি থেকে পাঁচ হাজার কোটি মার্কিন ডলার পর্যন্ত অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন হতে পারে।

এদিকে আইএমএফ জানিয়েছে, বাংলাদেশও একটি আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ চেয়েছে। এ বিষয়ে সংস্থাটির সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং সম্ভাব্য সহায়তা কর্মসূচি নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়বে। এর প্রভাব জ্বালানি, সার, খাদ্যপণ্য এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর পড়বে, যা বিশ্বের অনেক দেশের জন্য নতুন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!