রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে প্রশাসনের অগোচরে রাতের অন্ধকারে ফসলি জমিতে মুরগির বিষ্ঠা (মল) ফেলে পরিবেশ নষ্ট করার অপরাধে নাবিল গ্রুপ এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান `নাবা পোল্ট্রি ফার্ম` নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অনাদায়ে জড়িতদের ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানা অনাদায়ে দণ্ডপ্রাপ্তরা তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার টাকা পরিশোধ করে মুক্তি পান।
বুধবার রাতে উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের ঝিকড়াপাড়া উলিপুর এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন,নাবা পোল্ট্রি ফার্মের এজিএম ডাঃ ইকবাল হোসেন (৪৫) এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুজ্জামান। তারা দুজনেই ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রওশন আলীর ছেলে।
স্থানীয় ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে,নাবিল গ্রুপ এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান নাবা পোল্ট্রি ফার্ম কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের অন্ধকারে রিশিকুল ঝিকড়াপাড়া উলিপুর এলাকার বিভিন্ন কৃষি জমিতে মুরগির বিষ্ঠা ফেলে আসছিল।
এর ফলে এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি মশা, মাছি ও বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপদ্রব মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। এতে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা।
পরিবেশ দূষণের এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার রাতে সেখানে আকস্মিক অভিযান চালান ইউএনও ইসরাত জাহান। ঘটনাস্থলে সত্যতা পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দুই কর্মকর্তাকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, পরিবেশের ক্ষতি করে এবং জনস্বাস্থ্য হুমকিতে ফেলে কেউ পার পাবে না। জনস্বার্থে পরিবেশ দূষণ বিরোধী এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

