ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় সংখ্যালঘু চাচার হাতে ভাতিজা খুনের দুই মাসেও প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় ক্ষোভ ঝাড়লেন ফরিদপুর-৪ আসনের সাংসদ শহিদুল ইসলাম খান বাবুল।
তিনি শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলার কাউলিবেড়া ইউনিয়নের মটরা গ্রামের সংখ্যালঘু নিহত শ্যাম বিশ্বাসের বাড়িতে স্ত্রী শিশু সন্তান ও তার মায়ের খোঁজখবর নেওয়ার সময় একথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমি আছি, আমি এর শেষ দেখব, আমার যদি টাকা-পয়সাও খরচ হয় তাও দেখবো।
এমপি বলেন, খুনিদের কোন ক্ষমা নাই, যথাযথ বিচারের জন্য এবং প্রধান আসামীকে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে গ্রেপ্তার করতে পুলিশকে কড়াভাবে নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, নিহত শ্যাম বিশ্বাসের পরিবারটি অসহায়, ছোট ছোট মাসুম বাচ্চাদের চোখের পানিতে আরশ কেঁপে উঠবে সুতরাং এখানে কোন নয়ছয় লোভ লালসায় পা দিবেন না দয়া করে। আমি তাদের সঙ্গে আছি, এর শেষ দেখব।
এ বিষয়ে হত্যা মামলার তদন্তকারী অফিসার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল করিম জানান, শ্যাম বিশ্বাস হত্যার ইজহারভুক্ত সাত জন আসামীর মধ্যে দুইজনকে (বিকাশ বিশ্বাস ও পরিমল বিশ্বাস) গ্রেফতার করেছি প্রধান আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
প্রসঙ্গঃ জমি সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে গত ৩০ এপ্রিল দুপুরে নারকেল পাড়াকে কেন্দ্র করে চাচার হাতে সংখ্যালঘু ভাতিজা শ্যাম বিশ্বাস খুন হন। পরের দিন নিহতের মা বিনতি রানী বাদী হয়ে বাঁধন বিশ্বাস ও নিখিল বিশ্বাসকে প্রধান আসামী করে সাতজনের নামে ভাংগা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে মামলার বাদী নিহত শ্যাম বিশ্বাসের মা বিনতি রানী জানান, মামলার কোন অগ্রগতি দেখতেছি না, দুই মাস অতিবাহিত হয়েছে প্রধান আসামিদেরকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারে নাই, আমি খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানাই এমপির কাছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভাংগা থানার ওসি মিজানুর রহমান, কাউলিবেড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসানাত দুদুমিয়া সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

