AB Bank
  • ঢাকা
  • রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত খাল খনন কর্মসূচির প্রথম ধাপ খাগড়াছড়িতে সম্পন্ন


Ekushey Sangbad
আবু রাসেল সুমন, খাগড়াছড়ি
১২:৫৮ পিএম, ৩০ জুন, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত খাল খনন কর্মসূচির প্রথম ধাপ খাগড়াছড়িতে সম্পন্ন

দেশব্যাপী নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির আওতায় খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় দুটি খালের খননকাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন গুইমারা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ইশতিয়াক আহম্মেদ।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং সেচ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রথম ধাপে উপজেলার তৈমাতাই ও পিলাক খালে মোট ১৩ কিলোমিটার খননকাজ শেষ হয়েছে। এতে স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন ইজিপিপি প্রকল্পের আওতায় গত ২৮ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে খননকাজ শুরু হয়। পরে ২০ মে খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন।

স্থানীয়দের মতে, খাল খননের ফলে পানি নিষ্কাশন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। পাশাপাশি সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়বে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, কার্যকারিতা ও সম্ভাবনার ভিত্তিতে খালগুলোকে বড়, মাঝারি ও ছোট—এই তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।

তৈমাতাই খালে ৪ দশমিক ১ কিলোমিটার খননের পরিকল্পনা থাকলেও ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬ দশমিক ৮ কিলোমিটার এবং পিলাক খালে ৫ কিলোমিটারের পরিবর্তে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬ দশমিক ২ কিলোমিটার খনন করা হয়েছে। ফলে দুই খালে মোট ১৩ কিলোমিটার খননকাজ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় তৈমাতাই খালে ৩৫৭ জন এবং পিলাক খালে ৪১৬ জনসহ মোট ৭৭৩ জন শ্রমিক কাজ করেন। পরিবেশের ভারসাম্য ও সৌন্দর্যবর্ধনের লক্ষ্যে তৈমাতাই খালের তীরে ২ হাজার ৬৪১টি এবং পিলাক খালের তীরে ২ হাজার ৪৫০টি বনজ, ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা খাঁচাবেষ্টনী দিয়ে রোপণ করা হয়েছে।

এছাড়া পানি নিষ্কাশনের সুবিধার্থে তৈমাতাই খালে ২১০ মিটার পাইপ ড্রেন ও দুটি ঘাটলা এবং পিলাক খালে ৪৫০ মিটার পিভিসি পাইপলাইন ও দুটি বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে।

গুইমারা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইশতিয়াক আহম্মেদ বলেন, "সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই খননকাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমে মানুষের দুর্ভোগ হ্রাস পাবে।"

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিশকাতুল তামান্না বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত খাল খনন কর্মসূচির প্রথম ধাপের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হওয়ায় স্থানীয় জনগণ এর সুফল ভোগ করবেন। এই কর্মসূচির লক্ষ্য শুধু খাল পুনঃখনন নয়; বরং বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি নিষ্কাশন, শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা।"

একুশে সংবাদ/এ.জে

 

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!