AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

রায়পুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় মামলা



রায়পুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় মামলা

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌর শহরের একটি ভাড়া বাসায় মা ও তিন মেয়েকে হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে নিহত পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য ছেলে জুনায়েদ ইসলাম সিফাত (১৮) বাদী হয়ে রায়পুর থানায় মামলাটি করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া।

এদিন বিকেলে রায়পুর শহরের ধানহাটা সড়কে নিহত চারজনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় হাজারো মানুষ অংশ নেন। পরে মরদেহগুলো কুমিল্লার হোমনা উপজেলার গ্রামের বাড়িতে দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

শুক্রবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চারটি মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. অরূপ পাল জানান, নিহতদের হাতে, মাথায় ও বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তবে পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

নিহত শাহিনুর আক্তারের মৃত স্বামী কামাল হোসেনের ভাই জামাল হোসেন মরদেহ গ্রহণ করেন। তিনি জানান, ছয় বছর আগে কামাল হোসেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। এরপর শাহিনুর আক্তার সন্তানদের নিয়ে রায়পুরে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তাঁর তিন মেয়ে লেখাপড়া করতেন এবং ছেলে জুনায়েদ পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি করতেন।

গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রায়পুর পৌর শহরের ধানহাটা এলাকায় ডাকাতিয়া নদীর পাড়সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় শাহিনুর আক্তার (৩৮), তাঁর বড় মেয়ে সায়মা আক্তার (২০), মেঝো মেয়ে নাফিসা আক্তার ইকরা (১৬) এবং ছোট মেয়ে সিফা আক্তারকে (৯) কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে নিহত হন সন্দেহভাজন অন্তর মজুমদার, যিনি পরিবারের পূর্বপরিচিত ছিলেন।

পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য জুনায়েদ ইসলাম সিফাতের ধারণা, ঘটনাটি টাকা বা স্বর্ণালংকার লুটের উদ্দেশ্যে ঘটতে পারে। তিনি জানান, বাড়ির মালিক অনুপস্থিত থাকলে ভাড়াটিয়াদের ভাড়ার টাকা তাঁর মা সংগ্রহ করে রাখতেন। এছাড়া বাসার সার্বিক দায়িত্বও তাঁর মায়ের ওপর ছিল।

রায়পুর থানার ওসি শাহীন মিয়া বলেন, মামলার তদন্ত চলছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!