AB Bank
  • ঢাকা
  • সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ধনবাড়ীতে কাঁঠালের বাম্পার ফলন, ভালো দামের প্রত্যাশা চাষিদের



ধনবাড়ীতে কাঁঠালের বাম্পার ফলন, ভালো দামের প্রত্যাশা চাষিদের

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় এবার জাতীয় ফল কাঁঠালের বাম্পার ফলন হয়েছে। ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পাওয়ার প্রত্যাশায় খুশি চাষি ও গাছের মালিকরা। তাদের চোখেমুখে ফুটে উঠেছে সন্তুষ্টির ছাপ।

আর কয়েক দিনের মধ্যেই পাকা কাঁঠালের মিষ্টি গন্ধে মুখরিত হবে চারপাশ। গাছে গাছে ঝুলছে ছোট-বড় অসংখ্য কাঁঠাল। কাঁঠালের ভারে নুয়ে পড়েছে অনেক গাছের ডাল। এমন দৃশ্য পথচারীদেরও আকৃষ্ট করছে। এ সময় গ্রামাঞ্চলে কাঁঠালের সঙ্গে চিড়া ও মুড়ি খাওয়ার চলও বেড়ে যায়।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ধনবাড়ী উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে বড় কোনো কাঁঠাল বাগান নেই। তবে বাড়ির আঙিনা, পতিত জমি এবং রাস্তার দুই পাশজুড়ে প্রচুর কাঁঠালগাছ রয়েছে। এসব গাছে প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কাঁঠাল উৎপাদিত হয়। উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে এখানকার কাঁঠাল ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়।

উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ছোট আকারের কিছু বাগানের পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি বাড়ির আঙিনায়, রাস্তার ধারে ও পতিত জমিতে কাঁঠালগাছ দেখা যায়। অনেক গাছে ৫০ থেকে ১০০টিরও বেশি কাঁঠাল ধরেছে। ফলে এলাকাজুড়ে যেন কাঁঠালের সমারোহ।

সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে পাকা কাঁঠাল উঠতে শুরু করেছে। অধিকাংশ কাঁঠালগাছ বাড়ির আঙিনা, রাস্তার ধারে, পার্ক, স্কুল ও কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত। এসব গাছে ঝুলে থাকা কাঁঠালের দৃশ্য সবার নজর কাড়ছে।

তবে উপজেলার চরাঞ্চল কাঁঠাল উৎপাদনের জন্য বেশি পরিচিত। এসব এলাকায় ফলনও তুলনামূলক বেশি হয়। বিশেষ করে মুশুদ্দি, যদুনাথপুর, বানিয়াজান, বীরতারা, পাইস্কা ও বলিভদ্র গ্রাম কাঁঠালের জন্য সুপরিচিত।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন হাটবাজারের ব্যবসায়ী ও পাইকাররা কাঁচা কাঁঠাল কিনতে চাষিদের বাড়িতে ভিড় করছেন। নিরামিষ রান্নার জন্য কাঁচা কাঁঠালের চাহিদাও রয়েছে বেশ। দূর-দূরান্ত থেকে আসা পাইকাররা বিভিন্ন যানবাহনে করে কাঁঠাল দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে যাচ্ছেন।

বর্তমানে বড় আকারের একটি কাঁচা কাঁঠাল ৬০ থেকে ৮০ টাকায়, মাঝারি আকারের কাঁঠাল ৪০ থেকে ৫০ টাকায় এবং ছোট আকারের কাঁঠাল ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের কাঁঠালের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ভালো দাম পাওয়ায় খুশি গাছের মালিক ও বিক্রেতারা।

আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস কাঁঠাল পাকার প্রধান মৌসুম। তবে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ থেকেই বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণ কাঁঠাল বিক্রি শুরু হয়।

কাঁঠালের বিশেষত্ব হলো এর প্রায় সব অংশই ব্যবহারযোগ্য। কাঁঠালের কোষ, বিচি ও খোসা বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। বিচি সুস্বাদু সবজি হিসেবে রান্না করা হয়। খোসা গরু-ছাগলের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া কাঁঠালের পাতা গরু, ছাগল ও ভেড়ার পছন্দের খাদ্য। উৎপাদন ব্যয় তুলনামূলক কম হওয়ায় কাঁঠাল থেকে ভালো লাভের আশা করছেন চাষি ও গাছের মালিকরা।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!