AB Bank
  • ঢাকা
  • রবিবার, ০৭ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ঈদ আনন্দ ফুরালেও, ফুরোয়নি সিএনজির বাড়তি ভাড়া আদায়ের মহোৎসব



ঈদ আনন্দ ফুরালেও, ফুরোয়নি সিএনজির বাড়তি ভাড়া আদায়ের মহোৎসব

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা থেকে মানিকগঞ্জ ও হেমায়েতপুর রুটে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া নিয়ে চলছে নৈরাজ্য। পবিত্র ঈদুল আযহার ৮ দিন পার হলেও এখনো যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।

যাত্রী ও চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঝিটকা বাজার থেকে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এবং হেমায়েতপুর পর্যন্ত নিয়মিত সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করে। এ রুটে ঝিটকা থেকে মানিকগঞ্জের নির্ধারিত ভাড়া ৬০ টাকা এবং হেমায়েতপুরের ভাড়া ১৭০ টাকা।

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে সরেজমিনে ঝিটকা বাজার সিএনজি স্ট্যান্ডে গিয়ে দেখা যায়, মানিকগঞ্জগামী যাত্রীদের কাছ থেকে ৬০ টাকার পরিবর্তে ৮০ টাকা এবং হেমায়েতপুরগামী যাত্রীদের কাছ থেকে ১৭০ টাকার পরিবর্তে ২০০ টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে যাত্রীরা অসন্তোষ প্রকাশ করলেও বিকল্প যানবাহনের অভাবে বাধ্য হয়ে ওই ভাড়াতেই যাতায়াত করছেন।

কয়েকজন চালক জানান, ঈদ উপলক্ষে কিছুটা বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। তবে যাত্রীদের জানিয়ে এবং তাদের সম্মতিতেই এই ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিএনজি চালক বলেন, মানিকগঞ্জের ভাড়া ৮০ টাকা এবং হেমায়েতপুরের ভাড়া ২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ঈদের সময় অনেকেই এর চেয়েও বেশি ভাড়া নিয়েছে। আমরা এর চেয়ে বেশি ভাড়া নেইনি।

আ. আলিম নামের আরেক চালক বলেন, ঈদের প্রথম কয়েকদিন হেমায়েতপুরের ভাড়া ২৫০ টাকাও নেওয়া হয়েছে। এখন ২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। তবে ঈদের ৮ দিন পরও কেন অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আর কোনো মন্তব্য করেননি।

মো. তুষার নামের এক যাত্রী বলেন, ঝিটকা থেকে হেমায়েতপুরের নিয়মিত ভাড়া ১৭০ টাকা। আজ ২০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে। যাওয়ার প্রয়োজন থাকায় বাধ্য হয়ে এই ভাড়াতেই যেতে হচ্ছে। চালকরা প্রায়ই নিজেদের ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করেন। দেখার যেন কেউ নেই।

মো. ফয়সাল নামের আরেক যাত্রী জানান, ঝিটকা থেকে মানিকগঞ্জের ভাড়া ৬০ টাকা। কিন্তু ঈদের ৮ দিন পার হলেও তারা ঈদ বোনাসের নামে ৮০ টাকা ভাড়া নিচ্ছে। ঝিটকা থেকে হেমায়েতপুর রুটে যাত্রীরা সিএনজিচালিত অটোরিকশার ওপর নির্ভরশীল। এই সুযোগে বিভিন্ন সময় নানা অজুহাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়। এছাড়া রাতের বেলায় সিএনজিতে মানিকগঞ্জ থেকে ঝিটকা রুটে নিয়মিত বাড়তি ভাড়া নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে ঝিটকা সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি মো. পলাশের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে স্ট্যান্ডে পাওয়া যায়নি। পরে তার মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে হরিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আফজাল হোসাইন বলেন, ভাড়া নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি ইউএনওর কাজ। ইউএনও সাহেব এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে পারবেন।

হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা আক্তারকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেন, ঠিক আছে, আমি বিষয়টি দেখছি।


একুশে সংবাদ/ এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!