গাজীপুরের শ্রীপুরে এক ব্যবসায়ীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।
সোমবার (১ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় শ্রীপুর পৌরসভার দোখলা এলাকার লিচুবাগানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ফার্নিচার ব্যবসায়ী মোস্তফা মৃধা।
অভিযুক্ত মোবারক হোসেন শ্যামল শ্রীপুর পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সভাপতি এবং পৌরসভার বেড়াইদেরচালা এলাকার মৃত আব্দুল আউয়ালের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোস্তফা মৃধা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তার স্ত্রীর সঙ্গে মোবারক হোসেন শ্যামলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি জানার পর তিনি শ্যামলকে তার বাড়িতে আসতে নিষেধ করেন। এরপরও তিনি বিভিন্নভাবে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মোস্তফা মৃধা আরও অভিযোগ করেন, গত ২৫ মে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কয়েকদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মোবারক হোসেন শ্যামল। মুঠোফোনে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “মোস্তফা মৃধার স্ত্রী আমার মেয়ের মতো। তাদের সঙ্গে আমার ব্যবসায়িক লেনদেন রয়েছে। আগামী ১৫ জুন তিনি আমার পাওনা প্রায় ৮ লাখ টাকা পরিশোধ করার কথা। সেই টাকা না দেওয়ার উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”
এ বিষয়ে শ্রীপুর পৌর জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সভাপতি ডা. আনিসুজ্জামান বলেন, “মোবারক হোসেন শ্যামল অনেক আগে জামায়াতে ইসলামীর রোকন ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি স্বেচ্ছায় দলীয় সব পদ থেকে ইস্তফা দেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীর কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।”
এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

