মাগুরার শ্রীপুরে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে এজাহারভূক্ত ৩`আসামীকে আটক করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ।
শুক্রবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। আটকরা হলো উপজেলার বিলনাথুর গ্রামের সেলিম এর পুত্র আনিক (১৯), একই গ্রামের ফজলু শেখের ছেলে নয়ন শেখ (২০) ও ইছাপুর গ্রামের মৃত শহীদ বিশ্বাসের ছেলে রানা বিশ্বাস (২০)। এছাড়াও মামলার প্রধান আসামী বিলনাথুর গ্রামের বদর শেখের ছেলে সৌরভ শেখ এবং একই গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে হুসাইন (২১) পলাতক রয়েছে।
ভূক্তভোগি পরিবার ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আমলসার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ১৪ বছর বয়সী স্কুল ছাত্রীর সাথে উপজেলার বিলনাথুর গ্রামের সৌরভ শেখের মোবাইল ফোনে পরিচয় হয়। এ পরিচয়ের সুবাধে ওই স্কুল ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ের প্রলোভন দেখায়। গত ৫ এপ্রিল মেয়েটির সাথে দেখা করার কথা বলে লম্পট ছেলেটি ওই দিন সকাল ১০ ঘটিকার সময় শ্রীপুর ট্যাম্পু স্ট্যান্ড বালুর মাঠে নিয়ে আসে মেয়েটিকে।
এ সময় সৌরভের নেতৃত্বে তার সাথে থাকা ৪ যুবকের সহযোগিতায় মেয়েটিকে ওই স্থান থেকে সু-কৌশলে অপহরণ করে উপজেলার খড়িচাইল ফাঁকা মাঠের মধ্যে মিন্টু মিয়ার মাছের ঘেরে নিয়ে গিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং ধর্ষণের পুরো চিত্র মোবাইল ফোনে ধারণ করে লম্পটরা। ধর্ষণের ঘটনা জানাজানি এবং পরিবারকে না বলতে নিষেধ করে ধর্ষণকারীরা।
এছাড়াও ধর্ষণের বিষয়টি কাউকে জানালে ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুনকিও দেখায় তারা। পরে সেই মেয়েটির সাথে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটলে লম্পট যুবকেরা ধর্ষণের সেই ভিডিও চিত্রটি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়।
ঘটনাটি জানাজানি হলে অবশেষে ওই ছাত্রীর মা হেলেনা বেগম বাদী হয়ে গত ২২ মে বৃহস্পতিবার শ্রীপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করেন। এ মামলার সূত্রধরে শ্রীপুর থানা পুলিশ তিনজনকে আটক করেন।
শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওলি মিয়া জানান, এ ঘটনায় এজাহারভূক্ত তিন আসামীকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

