AB Bank
  • ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

শ্রীপুরে ইজ্জতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের কমিটি নিয়ে বিতর্ক


Ekushey Sangbad
টি আই সানি, শ্রীপুর, গাজীপুর
০৮:৪৩ পিএম, ১২ মে, ২০২৬

শ্রীপুরে ইজ্জতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের কমিটি নিয়ে বিতর্ক

গাজীপুরের শ্রীপুরে ইজ্জতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে এক প্রার্থীর পক্ষ থেকে আপত্তি উঠেছে। 

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অমান্য করে তার পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন দেয়ার অভিযোগ। ওই প্রার্থী এডহক কমিটি গঠন নিয়ে আপত্তি জানিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি), শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন।

৩০ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) তিনি প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আপত্তি আবেদন জমা দেন।

এডহক কমিটির ভুক্তভোগী প্রার্থী মনজুর রহমান প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে দেওয়া আবেদনে উল্লেখ করেন ইজ্জতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেন মোল্লা এডহক কমিটি গঠনের জন্য ৯ এপ্রিল (বুধবার) স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিদের উপস্থিতিতে সভা আহবান করেন। ওই সভায় এডহক কমিটির সভাপতি পদের ৫জন প্রার্থী আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সভায় উপস্থিত গন্যমান্য ব্যাক্তি ও জুরি বোর্ড ৫ জনের মধ্যে ৩ জনের নাম প্রস্তাব করেন। তারা হলেন বিন্দুবাড়ী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মনজুর রহমান, একই গ্রামের আব্দুল বাতেনের ছেলে শাহ আলম এবং ডোয়াইবাড়ী গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে সাজেদুল ইসলাম। ওই জুরি বোর্ড প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করে নির্বাচিত তিনজনের তালিকা প্রধান শিক্ষকের কাছে জমা দেন।

তিনি অভিযোগ করেন প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেন মোল্লা জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ১নং ক্রমিকে থাকা মনজুর রহমানকে ২নং ক্রমিকে, ২নং ক্রমিকে থাকা শাহ আলমকে ১নং ক্রমিকে এবং ৩নং ক্রমিকের প্রার্থীকে অপরিবর্তীত রেখে রেজুলেশনের মাধ্যমে লিপিবদ্ধ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবার প্রেরন করেন। যা সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভুত এবং বে-আইনি।

মনজুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ১নং ক্রমিকে দেখানো শাহ আলমের স্নাতক সনদ ভুয়া। প্রার্থীর ভুয়া সনদকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টার খবরে এলাকায় সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে এবং উত্তেজনা বিরাজ করছে। তাঁর ও এলাকাবাসীর দাবি শাহ আলম সাউথ এশিয়া ইউনিভার্সিটির যে সনদ জমা দিয়েছেন সেটি ভুয়া এবং অনলাইনে তার সনদের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে না। প্রধান শিক্ষক তার ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য বিতর্কিত সনদের একটি তথাকথিত ‘সার্টিফাইড কপি’ সংগ্রহ করে জালিয়াতির মাধ্যমে তাকে যোগ্য দেখানোর চেষ্টা করছেন।

জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত এবং জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে প্রধান শিক্ষক সম্পূর্ণ অবৈধভাবে তার পছন্দের প্রার্থীকে সুবিধা দিচ্ছেন। স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইজ্জতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে জাল সনদধারী ব্যাক্তিকে নিয়ে কমিটি গঠন করা হলে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হবে। বিতর্কিত তালিকা বাতিল করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কমিটি গঠনের দাবি তাদের। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসুক এবং জালিয়াতির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

অভিযুক্ত শাহ আলম বলেন, আমি পড়াশুনা করে সার্টিফিকেট অর্জন করেছি এবং আমার সনদ বৈধ। যাদের আপত্তি আছে তারা যাচাইবাছাই করে প্রমাণ করুক। জুরি বোর্ডের মতামতের ভিত্তিতেই আমাকে সিরিয়ালে ১নং ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে।

ইজ্জতপুর  উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেন মোল্লা বলেন, সমস্ত নিয়ম মেনেই  এডহক কমিটির কপি জমা দিয়েছি। জুরি বোর্ড যেভাবে সিদ্ধান্ত দিয়েছে সেভাবেই হবে। যাচাই করে দেখেছি শাহ আলমের সনদ সঠিক আছে।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদ ভূঁইয়া বলেন, এ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। তারপরেও  বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখতেছি।

গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এম রকিবুল হাসান বলেন, আমি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।

 

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!