AB Bank
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

সাদুল্লাপুরে জোরপূর্বক বিয়ে রেজিস্ট্রির অভিযোগে নিকাহ রেজিস্টার কারাগারে


Ekushey Sangbad
মানিক সাহা, গাইবান্ধা
১২:২২ পিএম, ১ মে, ২০২৬

সাদুল্লাপুরে জোরপূর্বক বিয়ে রেজিস্ট্রির অভিযোগে নিকাহ রেজিস্টার কারাগারে

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জোরপূর্বক বিয়ে রেজিস্ট্রির অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি জিআর মামলায় নিকাহ রেজিস্টার কাজী মাওলানা মো. আব্দুল হামিদ মিয়াকে (৬০) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর আগে বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে গাইবান্ধার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (আমলি আদালত, সাদুল্লাপুর) পাপড়ি বড়ুয়া এ আদেশ দেন। আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করলেও তা নামঞ্জুর করা হয়।

কারাগারে যাওয়া আসামি মাওলানা মো. আব্দুল হামিদ সাদুল্লাপুর উপজেলার ৩ নম্বর দামোদরপুর ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্টার কাজী। পাশাপাশি তিনি পার্শ্ববর্তী নলডাঙ্গা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত কাজীর দায়িত্বও পালন করছিলেন। পশ্চিম দামোদরপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হামিদ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দামোদরপুর ইউনিয়নের সভাপতি এবং উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির বলে জানা গেছে। এছাড়া তিনি পশ্চিম দামোদরপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার।

আদালত সূত্রে জানা যায়, সাদুল্লাপুর থানায় দায়ের হওয়া জিআর মামলায় তাকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় জামিনের আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার ও কোর্ট জিআরও মামলার আরজির বরাত দিয়ে জানান, সম্প্রতি নলডাঙ্গা এলাকায় এক তরুণকে আটক রেখে জোরপূর্বক একটি বিয়ে সম্পন্ন করা হয়। মেয়ের পরিবার ওই তরুণকে জোরপূর্বক বিয়ে দেয় এবং উক্ত বিয়ে রেজিস্ট্রির কাজ সম্পন্ন করেন কাজী আব্দুল হামিদ। এ ঘটনার পর ছেলের পরিবার সাদুল্লাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় মেয়ের বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কাজীকেও আসামি করা হয়।

এ বিষয়ে আদালতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষানবীশ আইনজীবী রওশন আলম জানান, অভিযুক্ত কাজী আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে আদালত তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তবে তিনি আরও বলেন, জোরপূর্বক বিয়ের ঘটনায় মূল দায় সংশ্লিষ্ট পক্ষের হলেও, বিয়ে রেজিস্ট্রি করার কারণে কাজীকেও মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

 

একুশে সংবাদ/যাবিদ

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!