শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে জ¦ালানি তেলের তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। তিন দিন ধরে বন্ধ রয়েছে উপজেলার এক মাত্র ফিলিংস্টেশন, এজেন্ট ডিলারসহ সকল তেলের দোকান।
অকটেন, পেট্রোল, ডিজেল না পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ছে যনবাহন চালক ও সাধারন মানুষ। অভিযোগ রয়েছে গ্রামের বোতলেকরে বিক্রিকরা তেলের দোকানগুলোতে নির্ধারিত দামের চাইতে ৭০-৮০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছে। তবে পরিমানে বেশি নয় বলে জানান এলাকাবাসি।
নালিতাবাড়ীর একমাত্র ফিলিংস্টেশন হাজী সাইজ উদ্দিণ ফিলিংস্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায় ২৬ মার্চ সকাল থেকেই অকটেন, বিকালে পেট্রোল ও রাত ১০ টা থেকে ডিজেল শেষ হয়ে যায়। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের পম্প বন্ধ রয়েছে।
তবে ডিপু থেকে আমাদের জন্য সাড়ে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল ও ৯ হাজার লিটার ডিজেল বরাদ্ধ হয়েছে যা চাহিদার তুলনায় খুবই সামন্য। তেল পাম্প পর্যন্ত পৌছতে এখনও একদিন সময় লাগতে পারে। সাভাবিক ভাবে বিক্রি করলে ২০-২৪ ঘন্টায় শেষ হয়ে যাবে।
বরাদ্ধ না পেলে আবারও বন্ধ হয়ে যাবে নালিতাবাড়ীর একমাত্র ফিলিংস্টেশন। পেট্রোল, অকটেন না পাওয়ায় বেশি বিপাকে পড়েছে ভাড়াই চালিত মটরসাইকেল মালিকরা। তারা মটরসাইকেলে যাত্রি আনা নেওয়া করে জীবিকা নির্বাহকরে থাকে।
রোববার থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হওয়ায় বিপাকে পড়ছে শিক্ষরাও। বেশিরভাগ শিক্ষক চলাচল করেন মটর সাইকেলে।
তারাগঞ্জ ফাজিল মাদরাসার সহকারি অধ্যাপক মাওলানা ইলিয়াছ জানান গতকাল থেকে মটরসাইকেলের পেট্রোল শেষ হয়েছে আজ মাদরাসায় ইজিবাইকে আসতে হয়েছে। এতে আমার সময় ও অর্থ দুই বেশি ব্যায় হয়েছে।
নালিতাবাড়ী বাজারের ব্যাবসায়ী এমদাদুল হক বলেন শনিবার বেড়াতে গিয়ে বাইকের তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় গ্রামের এক দোকান থেকে ২০০টাকা দিয়ে একলিটার তেল কিনতে হয়েছে।
নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিন বলেন, তেল বরাদ্ধ হয়েছে। তেল চলে আসতে হয়ত কিছু সময় লাগতে পারে। কিছু দিনের মধ্যেই সমস্যা মিটে যাবে।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

