ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির অতি দুর্গম ভোটকেন্দ্র গুলোতে হেলিকপ্টার যোগে নির্বাচনি সরঞ্জাম ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে।
সোমবার ( ৯ ফেব্রুয়ারী ) দুপুরে খাগড়াছড়ি প্রশাসন সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় দুর্গম এলাকার নিবার্চনি ভোটকেন্দ্রে এসব সরঞ্জাম পাঠানো হয়।
কেন্দ্রগুলো হলো- লক্ষীছড়ি উপজেলার শুকনাছড়ি ও ফুত্যাছড়ি এবং দীঘিনালা উপজেলার নাড়াইছড়ি।
লক্ষীছড়ি জোনের হেলিপ্যাড থেকে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার প্রথমে উড়ে যায় দুর্গম এলাকার শুকনাছড়ি ভোট কেন্দ্রে , পরে ফুত্যাছড়ি এবং দীঘিনালার নাড়াইছড়ি কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়া হয়।
খাগড়াছড়ি ২৯৮ সংসদীয় আসনের এই তিনটি কেন্দ্রকে ভৌগোলিক অবস্থান ও যোগাযোগব্যবস্থার জটিলতার কারণে সবচেয়ে দুর্গম কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম শাহাদাত হোসেন জানান, প্রত্যন্ত দুর্গম নির্বাচনি ভোটকেন্দ্রে ব্যালট বাক্স ও নির্বাচনী সরঞ্জামের পাশাপাশি হেলিকপ্টারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী কর্মকর্তা, আইন শৃংখলাবাহিনীর সদস্যদের ওই ভোটকেন্দ্রগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে অতীতের নির্বাচনগুলোর অভিজ্ঞতা, গোয়েন্দা তথ্য ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সম্ভাব্য ‘হটস্পট’ এলাকা চিহ্নিত করে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। হটস্পট এলাকায় অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন, নিবিড় টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
সহিংসতা প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হিসেবে আগে থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা শনাক্ত করে নির্বাচনি নিরাপত্তার জন্য ইতিমধ্যে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বিশেষ করে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সেনাবাহিনী, র্যাব ও বিজিবির যৌথ টহল জোরদার করা হয়েছে।
খাগড়াছড়ি আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ জন। জেলায় মোট ২০৩টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১২১টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৬৮টি কেন্দ্র অতিঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন প্রশাসন।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

