AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

তানোরে রাস্তা নির্মাণ হওয়ায় দুই গ্রামের বাসিন্দা ও স্কুল শিক্ষার্থীরা উপকৃত


Ekushey Sangbad
সারোয়ার হোসেন, তানোর, রাজশাহী
০৩:১৯ পিএম, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

তানোরে রাস্তা নির্মাণ হওয়ায় দুই গ্রামের বাসিন্দা ও স্কুল শিক্ষার্থীরা উপকৃত

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণের ফলে দুই গ্রামের কৃষকসহ স্কুল শিক্ষার্থীরা উপকৃত হয়েছেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের হাতিশাইল মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতের একমাত্র সড়কটি নির্মিত হওয়ায় হাতিশাইল ও বারোঘরিয়া গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হয়েছে।

জানা যায়, গত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর স্কুল শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও দুই গ্রামের বাসিন্দাদের দাবির প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সম্প্রতি প্রায় এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের রাস্তাটি নির্মাণ করে। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীর দুর্ভোগের শেষ ছিল না। রাস্তা নির্মাণের ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এক কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৯৭ লাখ টাকা। কাজের শুরুতে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলেও গ্রামবাসী ও স্কুল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় সম্প্রতি নির্মাণকাজ শেষ হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় হাঁটুসমান পানি ও কাদা জমে যেত। ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে পারত না। কেউ অসুস্থ হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার সুযোগও ছিল না। রাস্তার সামান্য অংশে করা এইচবিবি ভেঙে একাকার হয়ে পড়েছিল।

বারোঘরিয়া গ্রামের কৃষক শফিকুল কবিরাজ, ময়েজ সোনার এবং হাতিশাইল গ্রামের সাইফুলসহ অনেকে জানান, রাস্তা নির্মাণের ফলে তাদের উপকারের শেষ নেই। আগে ধান, আলুসহ কৃষিপণ্য বাড়ির আঙিনায় আনা যেত না। যানবাহন চলাচল একেবারেই অসম্ভব ছিল। কৃষিপণ্য জমিতেই কেটে মূল সড়কের পাশে মাড়াই করতে হতো। এখন বোরো মৌসুমে ধান বাড়িতে এনে মাড়াই করা যাবে। রাতে কেউ অসুস্থ হলে সহজেই হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হবে।

হাতিশাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হাসিনা বেগম ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মনোয়ার হোসেন বলেন, কাঁচা মাটির রাস্তার কারণে বর্ষা মৌসুমে স্কুলে আসা-যাওয়া ছিল চরম কষ্টকর। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় হাঁটুসমান কাদা জমে থাকত। এখন পাকা রাস্তা হওয়ায় সেই সমস্যা আর থাকবে না।

শিক্ষার্থী মারুফ, অনিকসহ কয়েকজন জানান, আগে বর্ষা মৌসুমে রাস্তায় কাদা ও পানি জমে থাকায় স্কুলে আসতে অনীহা ছিল। পোশাক নষ্ট হয়ে যেত। এখন পাকা রাস্তা হওয়ায় সাইকেল নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে স্কুলে যাতায়াত করা যাবে।

উপজেলা প্রকৌশলী নূর নাহার জানান, এলাকায় দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় রাস্তাটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বর্ষা মৌসুমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসতে পারতেন না। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন ও সাধারণ মানুষের চলাচলেও মারাত্মক সমস্যা হতো। সবার দাবির প্রেক্ষিতে রাস্তাটি নতুনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। আশা করছি এতে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর হয়েছে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!