মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় অবৈধভাবে ভরাটকাজের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর ) বিকেল ৪টা ০২ মিনিটে শিমুলিয়া ঘাটস্থ নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সীমানা প্রাচীরসংলগ্ন ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে জেলা প্রশাসন, মুন্সীগঞ্জের পূর্বানুমোদন ছাড়া ভরাট করে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিনজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী তাদের অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন লৌহজং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বাসিত সাত্তার।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪(খ) ধারা লঙ্ঘন করায় ১৫(১) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। আদালত প্রত্যেক মামলায় অর্থদণ্ড আরোপ করে একজনকে ৫০ হাজার টাকা এবং অপর দুইজনকে ১০ লাখ টাকা করে মোট ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আদালতের রায় অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্তদের তাৎক্ষণিকভাবে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, শিমুলিয়া ঘাট ও রানীগাঁও চরে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটা ও বালু ভরাটকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ চলছিল। প্রশাসনের এই অভিযানের মাধ্যমে অবৈধ ভরাট ও বালু ব্যবসার বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থান আবারও স্পষ্ট হয়েছে।
লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু জানান, পরিবেশ ধ্বংস ও নদী-চর দখলের সঙ্গে জড়িত যেকোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

