AB Bank
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
ekusheysangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

চন্দনাইশে একই জায়গা সিল-স্বাক্ষর জালিয়তি করে দু‍‍`বার  বিক্রির অভিযোগ


চন্দনাইশে একই জায়গা সিল-স্বাক্ষর জালিয়তি করে দু‍‍`বার  বিক্রির অভিযোগ

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চন নগর নগর পাড়া এলাকার  যোগেন্দ্র  চন্দ্র চৌধুরী পুত্র তার মৌরশী সূত্রে প্রাপ্ত ১২ আনা সম্পত্তি অপরাপর কয়েকজন দালালকে নিয়ে সরকারি সিল স্বাক্ষর জালিয়াতি করে একই জায়গা এক এলাকার মো নাছিমের পুত্র প্রবাসী মো কালামের নিকট বিক্রি করে ৩৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। 

এ বিষয়ে জমি ক্রেতা আবুল কালামের পিতা মোঃ নাছিম চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল   ম্যাজিস্ট্রেট আদালত -৬ এ ৬ জনকে আসামী করে একটি সি আর মামলা দায়ের  করেন যার মামলা নং -৩০৩/২০২৪।

বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সি আইডি কে তদন্ত করার দায়িত্ব অর্পণ করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, যোগেন্দ্র চন্দ্র চৌধুরী পুত্র নির্মল চন্দ্র চৌধুরী তার মৌরশী সূত্রের পাত্র সম্পত্তি এসি ল্যান্ড অফিসে ২০.০২.২৪ ইং তারিখে আবেদনকারী নামজারী মোকদ্দমা নং-৩৮৮৫/২৩-২৪মুলে গত ০৬.০৩.২৪  ইং তারিখ বি এস-১৪১৭ নং নামজানী খতিয়ান সৃজন করেন এবং তিনি তপসিলোক্ত ভুমি বিক্রি করার জন্য মো মহি উদ্দিন  পিতা সিরাজুল িসলাম,আবু তাহের পিতা আবুল কালাম গত ১৩/০৩/২৪ ইং তারিখে গাছবাড়ীয়া রেজিস্ট্রি অফিসে ৮৫১নং অবাতিলযোগ্য আমোত্তনামা সম্পাদন করে দেন। জমি ক্রেতা আবুল কালামের নিকট হতে ২৩/০৩/২৪ ইং জমি বিক্রি বাবদ ৩০ লক্ষ টাকা জমির দালালী বাবদ নির্মল কান্তি চৌধুরী, মো মহিউদ্দিন,আবু তাহের,আবদুল আজিজ,মাহাবুবুল আলম,বদিউল আলম ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে ২৩/০৩/২৪ ইং উপরোক্ত জমির মালিক ও দালারগণ যোগসাজশে গাছবাড়ীয়া সব  রেজিস্ট্রি অফিসে ভূয়া ১০২৪ নং দলিল রেজিস্ট্রি প্রদান করেন। 

পরবতীতে আবুল কালাম জমিতে কামলা নিযে কাজ করতে গেলে জনৈক দিদারুল আলম তাতে বাধা দিযে বলে উক্ত জায়গা তার খরিদা। তার নামে দলিল,খতিয়ান ও খাজনা দেওয়া আছে। উপজেলা ভুমি অফিসে গিয়ে কাগজপত্র যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায় দিদারুল আলমের নামে ৬৩৯ নং খতিয়ান সৃজিত আছে।তফসিলোক্ত দাগের মোট সম্পক্তির পরিমাণ ৯শতক।দিদারুলের নামে ৬.৭৫ শতক এবং প্রহলাদ দাস গং ২.২৬ শতক জায়গা ৮৮৫ নামজারী খতিয়ান আছে। বি,এস খতিয়ান এর সঠিকতা যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায় ১৪১৭ নং খতিয়ান মূল বালামে উল্লেখ নেই।

জমি বিক্রেতা নির্মল চৌধুরী পিতা যোগেন্দ্র চৌধুরী বিগত ৩০/০৪/১২ ইং তারিখে ১২৮৯ নং সাফ কবলামুলে মো নজরুল ইসলামের নিকট আর এস ৬৭,৬৮ নং খতিয়ানের আর এস ৪৮,৯৯ দাগের সামিল বি এস খতিয়ান ৪৩৮ ও ৪৩৯ নং খতিয়ানের  বিক্রি করে দিয়ে  নি: স্বত্ববান হন। এভাবে তথাকতিত জমির মালিক দালালরা জোযারা তহসিল অফিসের তহসিলদার ও উপজেলা ভুমি অফিসের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীর সহযোগীতায় এ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। স্থানীয় তফসিল অফিসে সরেজমিনে তদন্তকালে দেখা যায় তহসিল অফিসের বালান ছেড়া। তহসিলদার রঞ্জন কুমার দেব বালাম ছিড়ে নেয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন কে বা কারা বালাম ছিড়ে নিয়ে গেছে।তিনি ভুমি অফিস থেকে ফটোস্ট্যাট কপি করে এনে বালামে লাগিয়েছে।

অপরদিকে মামলার বাদি বলেন- স্থানীয় তহসিল অফিস ও উপজেলা ভূমি অফিসের অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীর যোগসাজশে  এক শ্রেণীর দালালরা এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বিষযটি তদন্ত করলে থলের বিড়াল বের হয়ে আসবে।

 

একুশে সংবাদ/বিএইচ

Link copied!