AB Bank
  • ঢাকা
  • সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

পাবিপ্রবির স্বাধীনতা হলের অস্বাস্থ্যকর টয়লেটে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা


Ekushey Sangbad
পাবিপ্রবি প্রতিনিধি
১২:১০ পিএম, ১৩ জুলাই, ২০২৬

পাবিপ্রবির স্বাধীনতা হলের অস্বাস্থ্যকর টয়লেটে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) ছাত্রদের স্বাধীনতা হলের টয়লেট ও ওয়াশরুম নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না করার অভিযোগ উঠেছে। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, তীব্র দুর্গন্ধ ও পিচ্ছিল মেঝের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকিও।

সরেজমিনে দেখা যায়, স্বাধীনতা হলের বিভিন্ন ফ্লোরের টয়লেট ও ওয়াশরুম দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত পরিষ্কার করা হচ্ছে না। টয়লেটের মেঝেতে জমে থাকা কালচে দাগ, অপরিচ্ছন্ন বেসিন এবং পর্যাপ্ত ডাস্টবিনের অভাবে বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখা যায়। অনেক টয়লেট অপরিষ্কার অবস্থায় থাকায় পুরো ওয়াশরুমে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে, যা শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন ব্যবহারে মারাত্মক অসুবিধার সৃষ্টি করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হলেও তারা নিয়মিত কাজ করছেন না। অভিযোগ রয়েছে, অধিকাংশ সময় তারা দায়িত্বে অবহেলা করেন। এমনকি শিক্ষার্থীরা একাধিকবার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অনুরোধ করলেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

আবাসিক শিক্ষার্থীরা জানান, দীর্ঘদিন পরিষ্কার না হওয়ায় টয়লেট ব্যবহার করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। মেঝে পিচ্ছিল থাকায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে। পাশাপাশি এমন অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে জীবাণু ছড়িয়ে বিভিন্ন রোগব্যাধি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

এক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, “প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে ওয়াশরুম পরিষ্কার করা হয়নি। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী এমন নোংরা পরিবেশে টয়লেট ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও তদারকির অভাবে এটি এখন স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, “দুর্গন্ধের কারণে বাথরুম ও বেসিন ব্যবহার করাই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। দ্রুত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়বে।”

এ বিষয়ে স্বাধীনতা হলের প্রভোস্ট আল ফাহাদ ভূঁইয়া বলেন, “পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দায়িত্ব পালন করতে বারবার বলা হলেও তারা ঠিকমতো কাজ করছে না। প্রতিটি কাজের জন্য আলাদা দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া আছে। গত ৭ জুলাই আমি ব্যক্তিগতভাবে ৫ হাজার টাকা এবং এর আগে আরও ১০ হাজার টাকা দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনে দিয়েছি। তারপরও তারা দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছে না।”

এদিকে শিক্ষার্থীরা দ্রুত নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কার্যকর তদারকি এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!