AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

নিকাব নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ ও প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে ইবিতে মানববন্ধন


Ekushey Sangbad
ইবি প্রতিনিধি
০৭:১৯ পিএম, ১৫ জুন, ২০২৬

নিকাব নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ ও প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে ইবিতে মানববন্ধন

জাতীয় সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর নিকাব নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সম্মিলিত নারী শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা মনিরুল হকের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। সেগুলোর মধ্যে ছিল-“আল্লাহর আদেশে হিজাব পরি, উপহাসকারীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি”, “নারীকে পোশাকে বিচার-এটাই তোমার সভ্যতা?”, “চেহারা নয়, সম্মান চাই; নিকাব পরি, সেই শিক্ষাই”, “আমার মাথার ওড়না তোমার ভয় কেন?”, “হিজাব নিয়ে মস্করা চলবে না, চলবে না”, “আমার হিজাব, আমার গর্ব; ঘৃণার কাছে কখনো নয় পরাজিত” এবং “হিজাব পরি আল্লাহর বিধান মেনে, উপহাসকারীর এত জ্বালা কেন মনে?”।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর যখন সংবিধান প্রণয়ন করা হয়েছিল, তখন ৩৪ সদস্যের কমিটিতে বেগম রেজিয়া বানু একজন নারী সদস্য ছিলেন। তিনিও হিজাব-নিকাব ও পর্দা মেনে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাহলে যে সংবিধান প্রণয়নে একজন নিকাব ও বোরখা পরিহিত নারী ভূমিকা রেখেছেন, সেই সংবিধানের সংসদে দাঁড়িয়ে কীভাবে এ ধরনের মন্তব্য করা হয়— তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

তারা আরও বলেন, অতীতেও বিএনপির বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের নেতার কাছ থেকে হিজাব নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য শোনা গেছে। এমনকি নিকাবকে ‘পতিতাবৃত্তিদের পোশাক’ বলেও মন্তব্য করা হয়েছিল।

তখনও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। আমরা চাই, এবার এমন উদ্যোগ নেওয়া হোক যাতে ভবিষ্যতে সরকার দল বা বিরোধী দল-কোনো পক্ষই নারীদের পোশাক বা ব্যক্তিস্বাধীনতা নিয়ে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করতে না পারে। একইসঙ্গে মনিরুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তা জাতির সামনে দৃশ্যমান করতে হবে এবং তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাজমিন রহমান বলেন, “সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় নারী এমপিদের হিজাব ও নিকাব নিয়ে কটূক্তি করেছেন।

অতি দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, একই সময়ে সরকারদলীয় নারী এমপিরা সংসদে বসেই টেবিল চাপড়িয়ে সেই মন্তব্যকে সমর্থন জানাচ্ছিলেন এবং উল্লাস প্রকাশ করছিলেন। যেখানে সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে এবং পবিত্র কোরআনে পর্দার নির্দেশনা রয়েছে, সেখানে এত স্পর্শকাতর একটি বিষয় নিয়ে তিনি কীভাবে জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে বিদ্রূপ করলেন, তা আমার বোধগম্য নয়।

সরকার দল ও বিরোধী দলের রাজনৈতিক আদর্শে পার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু তারা কারও ব্যক্তিস্বাধীনতা কিংবা পোশাক নিয়ে মন্তব্য করতে পারে না। আজ আমরা দেখলাম, তিনি এত বড় একটি মন্তব্য করলেন; অথচ সরকারদল থেকে কেউ দুঃখ প্রকাশ করেনি বা প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানায়নি।”

এছাড়াও তিনি বলেন, “শাড়ি কিংবা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে কথা বললেই শাহবাগীরা রাস্তায় নেমে যায়। আপনারা তাদের সমর্থন করেন। কিন্তু আজ সুশীল সমাজ কোথায়? তারা আজ নীরব। অতীতে যারা আন্দোলন করেছে, তারাও আজ চুপ রয়েছে। এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য আমরা দেখছি না।”

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!