AB Bank
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ফের ব্যাংক জালিয়াতিতে ধরা পড়লেন পাবিপ্রবি কর্মকর্তা


Ekushey Sangbad
পাবিপ্রবি প্রতিনিধি
০৪:৩১ পিএম, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

ফের ব্যাংক জালিয়াতিতে ধরা পড়লেন পাবিপ্রবি কর্মকর্তা

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ফের জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে সাময়িক বরখাস্ত থাকা এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে। ব্যাংকের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত ওই কর্মচারীর নাম মো. মাহফুজুর রহমান।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এ অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগেও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারারের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে গত ২ ডিসেম্বর  সালে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার আইকিউএসি সেল থেকে ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার জন্য মাহফুজকে পাঠানো হয়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ডের ২৯ হাজার ৮৫৭ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে ভুয়া জমা রশিদ তৈরি করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেন।

পরে হিসাব মিলাতে গিয়ে দেখা যায়, ব্যাংকে প্রয়োজনের তুলনায় ভুলক্রমে ২ হাজার ১৩০ টাকা বেশি জমা দেখানো হয়েছে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে জমা রশিদ নিয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে গেলে তারা জানায়, ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয় ফান্ডে কোনো অর্থই জমা দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায়, জমা রশিদটি ছিল সম্পূর্ণ ভুয়া।

জনতা ব্যাংক পাবিপ্রবি শাখার ব্যবস্থাপক এস এম আবু সায়েম জানান, জমা রশিদে ব্যবহৃত সিলটি ব্যাংকের মূল সিলের তুলনায় আকারে বড় এবং সেখানে ব্যবহৃত কর্মকর্তার স্বাক্ষরও জাল। তিনি কোনো অর্থ জমা না দিয়ে সিল ও স্বাক্ষর নকল করে আলাদা একটি জমা রশিদ তৈরি করেন। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায়, মাহফুজুর রহমান ব্যাংকে টাকা জমা না দিয়ে অর্থ নিজের কাছেই রেখে দেন। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।

বরখাস্ত অবস্থায় একজন কর্মচারী কীভাবে দপ্তরের কাজে যুক্ত ছিলেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রক্ষ্ম বলেন,কোনো কর্মচারী বরখাস্ত হলে তাঁর আর সক্রিয় চাকরি থাকে না। বিধি অনুযায়ী তিনি কেবল খোরপোষ ভাতা পাওয়ার অধিকারী। এ অবস্থায় তাঁর জন্য আলাদা হাজিরা ব্যবস্থা ও আলাদা ডেস্ক নির্ধারিত থাকার কথা।

অভিযুক্ত কর্মচারী মো. মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে অস্বীকার করে বলেন,আমি কিছু করিনি।

এ বিষয়ে আইকিউএসি সেলের পরিচালক ড. শামীম রেজা বলেন,গতকাল বিকেলে ঘটনাটি ঘটে। এরপর অফিস বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। দপ্তরের এক কর্মকর্তা তাঁকে টাকা জমা দিতে পাঠিয়েছিলেন। ঘটনার সময় আমি অফিসে উপস্থিত ছিলাম না।

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!