AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে যাচ্ছে সরকার


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৯:০১ পিএম, ১৭ জুন, ২০২৬

মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে যাচ্ছে সরকার

মিয়ানমার সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার এবং সীমান্ত অপরাধ দমনে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত হত্যা, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান, গোলাবারুদ পরিবহনসহ আন্তঃসীমান্ত বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে স্পর্শকাতর সীমান্ত এলাকাতেও একই ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে।

তিনি জানান, দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং সীমান্ত এলাকায় সব ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সমন্বিতভাবে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ (আইস), ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রবেশ ঠেকাতে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। একই সঙ্গে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে সীমান্ত অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

তিনি জানান, দুর্গম ও স্পর্শকাতর সীমান্ত এলাকায় নতুন বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) এবং টহল চৌকি (টিওবি) স্থাপন করা হয়েছে এবং আরও নতুন স্থাপনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে বিজিবির টহল কার্যক্রম আরও কার্যকর হয়েছে এবং সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে সরকারের আরও কয়েকটি উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে—

  • দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের অতি সংবেদনশীল সীমান্ত এলাকায় ‘স্মার্ট বর্ডার সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম’ স্থাপন।

  • দুর্গম পার্বত্য সীমান্ত এলাকায় সীমান্ত সড়ক নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া, যাতে বিজিবি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অপরাধ দমন করতে পারে।

  • সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে চোরাচালান ও সীমান্ত অপরাধের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা এবং অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহযোগিতার আহ্বান।

সরকারের এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!