দেশের রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ উদ্যোগে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করার কথাও বলেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্প উৎপাদন বাড়াতে বন্ধ ও রুগ্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো চালুর বিষয়ে সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে এ উদ্যোগে বেসরকারি উদ্যোক্তারা কীভাবে যুক্ত হবেন, মালিকানা বা অংশীদারত্বের কাঠামো কেমন হবে—সে বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিশেষভাবে রুগ্ন ও বন্ধ পাটকল এবং চিনিকলগুলো পুনরায় চালুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব কারখানায় পুরোনো শ্রমিকদের বহাল রেখে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ।
এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০২৪ সালের জুনে সংসদে দেওয়া তথ্যে জানানো হয়, তখন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৩৯৭টি। এর মধ্যে বিসিকের অধীনে ৩৮২টি, বিসিআইসির পাঁচটি, বিএসএফআইসির ছয়টি চিনিকল এবং বিএসইসির চারটি শিল্প প্রতিষ্ঠান ছিল। পরবর্তী দুই বছরে এই সংখ্যা আরও বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান, যদিও হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি।
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। বন্ধ ও রুগ্ন শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি কাজ শুরু করছে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

