AB Bank
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

সন্তান হওয়ার পরও স্বামী-স্ত্রী সুখী দাম্পত্যের যে কৌশল


Ekushey Sangbad
লাইফস্টাইল ডেস্ক
০৯:০৪ পিএম, ২৩ জুলাই, ২০২৬

সন্তান হওয়ার পরও স্বামী-স্ত্রী সুখী দাম্পত্যের যে কৌশল

সন্তানের জন্ম রাতের ঘুম কমে যায়, সময়ের বেশির ভাগটাই চলে যায় শিশুর যত্নে। ফলে অনেক সময় স্বামী-স্ত্রী হিসেবে নিজেদের সম্পর্কের চেয়ে বাবা-মায়ের দায়িত্বই বেশি গুরুত্ব পেতে শুরু করে।

মনোবিদদের মতে, সন্তান জন্মের পর শারীরিক ও মানসিক নানা পরিবর্তনের কারণে দাম্পত্য ঘনিষ্ঠতায় কিছুটা প্রভাব পড়া স্বাভাবিক। অনেকের ক্ষেত্রেই সম্পর্কের আগের রসায়নে পরিবর্তন আসে। তবে এই দূরত্ব দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা জরুরি। পাশাপাশি কিছু সহজ অভ্যাস দাম্পত্য সম্পর্ককে আবারও উষ্ণ ও দৃঢ় করে তুলতে পারে।

যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, দিনে অন্তত একটি খাবার একসঙ্গে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। খাওয়ার সময় মোবাইল ফোন দূরে রেখে পরস্পরের সঙ্গে কথা বলুন। দিনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার এই ছোট্ট সময় সম্পর্ককে আরও কাছাকাছি আনতে সাহায্য করে।

ভুল বুঝতে পারলে ক্ষমা চাইতে দ্বিধা করবেন না
ঝগড়া বা মতবিরোধ প্রতিটি সম্পর্কেই থাকে। কিন্তু নিজের ভুল স্বীকার করা এবং সময়মতো ‘সরি’ বলা অনেক বড় সমস্যাকেও সহজে মিটিয়ে দিতে পারে। কে আগে ক্ষমা চাইবে, সেই অহংকার ধরে রাখার চেয়ে সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়াই বেশি প্রয়োজন।

রাতের কিছু সময় শুধুই একে অপরের জন্য রাখুন
দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর মোবাইল ফোন ব্যবহার কমিয়ে দিন। সম্ভব হলে রাত ৯টা বা ১০টার পর ফোন সরিয়ে রেখে কিছু সময় শুধু দু’জন একসঙ্গে কাটান।

গল্প করুন, অনুভূতি ভাগ করুন কিংবা নীরবে পাশে থাকুন-এগুলোও সম্পর্ককে শক্তিশালী করে।

শুধু সংসারের কাজ নয়, একে অপরের অনুভূতিরও খোঁজ নিন
প্রতিদিনের আলোচনায় শুধু রান্না, বাজার বা দায়িত্বের বিষয় নয়, সঙ্গীর মানসিক অবস্থার কথাও জানতে চান।

‘আজ তোমার দিনটা কেমন গেল?’ বা ‘তোমার কেমন লাগছে?’-এমন প্রশ্ন অনেক অপ্রকাশিত অনুভূতি প্রকাশের সুযোগ তৈরি করে এবং ভুল বোঝাবুঝি কমায়।

মাসে অন্তত একটি দিন শুধুই দু’জনের জন্য রাখুন
বিশেষ সময় কাটাতে সবসময় ব্যয়বহুল আয়োজনের প্রয়োজন হয় না। একসঙ্গে হাঁটা, কফি পান করা কিংবা কিছুটা নিরিবিলি সময় কাটানোও যথেষ্ট। সেই সময়টুকু শুধু স্বামী-স্ত্রীর জন্য রাখুন এবং সংসার ও সন্তানের দায়িত্ব থেকে কিছুটা বিরতি নিন।

সন্তানের সামনে ঝগড়া এড়িয়ে চলুন
মতের অমিল হওয়া স্বাভাবিক, তবে তর্ক বা ঝগড়া সন্তানের সামনে না করাই ভালো। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবারের পরিবেশ শিশুর মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সংবেদনশীল বিষয়গুলো ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করাই উত্তম।
 

Link copied!