সারা মাস রোজা রেখে পেটে হঠাৎ একসঙ্গে এত এত ভারী আর মসলাদার খাবার খেতে অভ্যস্ত থাকে না। যে কারণে ঈদের পরে অনেকেরই হজমে নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাই এসময় হজমশক্তি ভালো রাখতে আপনাকে কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে।
ধীরে ধীরে স্বাভাবিক রুটিন
ধীরে ধীরে স্বাভাবিক, দৈনন্দিন খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাসে ফিরে আসুন। ঈদের দিন একসঙ্গে অনেক ভারী খাবার খেয়ে ফেলবেন না। অল্প পরিমাণে ও ঘন ঘন খাবার খেয়ে অভ্যাস করুন।
শরীর আর্দ্র রাখুন
স্বাভাবিকভাবেই রমজানে আমাদের শরীরে পানির কিছুটা ঘাটতি তৈরি হয়। রোজা শেষে সেই ঘাটতি পূরণে মনোযোগী হতে হবে। বারবার অল্প অল্প করে খাবার খাওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানিও পান করতে হবে।
আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ বাড়ান
মলত্যাগ নিয়ন্ত্রণ করতে এবং হজমশক্তি উন্নত করতে শাক-সবজি, ফল এবং শস্যের মতো আঁশযুক্ত খাবার যোগ করুন খাদ্যতালিকায়। এতে মলত্যাগ সহজ হবে এবং আপনার পেটও আরামে থাকবে। তাই ঈদের ভারী খাবারের লোভ এড়িয়ে হলেও এ ধরনের খাবার বেশি করে খেতে হবে। এতে সুস্থ থাকা সহজ হবে।
ভাজা খাবার সীমিত
অতিরিক্ত ভাজা, তৈলাক্ত এবং চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো হজম প্রক্রিয়াকে অনেকটাই ধীর করে দেয় এবং অস্বস্তি সৃষ্টি করে। তাই দেখতে যতই লোভনীয় লাগুক না কেন, নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য এ ধরনের খাবার আপনাকে এড়িয়ে চলতে হবে, বিশেষ করে সারা মাস রোজা রাখার পর।
গরম পানি বা চা
ভারী খাবারের পর হালকা গরম পানি বা চা পান করুন, কারণ এটি চর্বি ভাঙতে সাহায্য করে। তাই উৎসবের আয়োজনে অল্প-স্বল্প ভারী খাবার খেলে তার কিছুক্ষণ পর হালকা গরম পানি কিংবা ভেষজ চা পান করুন। এতে বাড়তি চর্বি নিয়ে ভয় অনেকটাই কেটে যাবে।



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

