AB Bank
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগের প্রশংসা করল জাতিসংঘ


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৩:৪৬ পিএম, ৩০ মে, ২০২৬

বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগের প্রশংসা করল জাতিসংঘ

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ, পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার প্রশংসা করেছে জাতিসংঘ। বিশ্বজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছে সংস্থাটি।

শুক্রবার (২৯ মে) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় জাতিসংঘ বিশ্বব্যাপী শান্তিরক্ষীদের নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি দেয়। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন মিশনে ৫০ হাজারেরও বেশি শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করছেন, যার মধ্যে চার হাজারের বেশি বাংলাদেশি সদস্য রয়েছেন।

এ বছরের শান্তিরক্ষী দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘শান্তিতে বিনিয়োগ’ (Investing in Peace)। জাতিসংঘ বলেছে, বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিরতা ও সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে রাজনৈতিক ও আর্থিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি অপরিহার্য।

বাংলাদেশে জাতিসংঘ কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, শান্তিরক্ষীদের নিরলস প্রচেষ্টা বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তাকে আরও স্পষ্ট করেছে। তাদের অবদান শান্তিতে বিনিয়োগের গুরুত্বকে সামনে নিয়ে এসেছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন সংকটপূর্ণ অঞ্চলে শান্তিরক্ষীরা বেসামরিক মানুষকে সুরক্ষা দিচ্ছেন, উত্তেজনা প্রশমনে কাজ করছেন এবং রাজনৈতিক সমাধানের পথ সুগম করছেন।

তিনি বলেন, শান্তিরক্ষীরা মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া, নির্বাচন আয়োজন এবং সংঘাত-পরবর্তী স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

মহাসচিবের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৪৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ হাজার শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে গত বছর নিহত হয়েছেন ৫৯ জন। তিনি শান্তিরক্ষীদের ওপর হামলাকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

গুতেরেস শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে বিশ্বে স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও আশার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এ খাতে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও নির্ভরযোগ্য অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা আরও বাড়াতে ভবিষ্যতে শক্তিশালী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

দিবসটি উপলক্ষে আগামী ৫ জুন জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শান্তিরক্ষী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। এ সময় নিহত শান্তিরক্ষীদের স্মরণে বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে এবং তাদের সম্মানে মরণোত্তর ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক প্রদান করা হবে।

এ ছাড়া ‘ইউএন মিলিটারি জেন্ডার অ্যাডভোকেট অব দ্য ইয়ার’ এবং ‘ইউএন ওম্যান পুলিশ অফিসার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারও প্রদান করা হবে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!