লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লার সামরিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি তাদের রাজনৈতিক তৎপরতাও সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম।
গতকাল রাজধানী বৈরুতে প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম বলেন, “আজ থেকে লেবাননের সরকারি সেনাবাহিনী ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সব ধরনের সামরিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হলো। বৈধ রাষ্ট্রীয় কাঠামোর বাইরে যেকোনো সামরিক অভিযান গ্রহণযোগ্য নয়। যুদ্ধ কিংবা শান্তি—এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার কেবল রাষ্ট্রের।”
সরকারি সূত্র জানায়, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হিজবুল্লাসহ সব অরাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর সামরিক তৎপরতা বন্ধে কঠোর অবস্থান নিল বৈরুত।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের রাজধানী তেহরানসহ ছয়টি শহরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়। ওই যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইরানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ১ মার্চ থেকে ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ শুরু করে হিজবুল্লাহ।
২০২৪ সালের নভেম্বরে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পর এটিই ছিল হিজবুল্লাহর প্রথম সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ।
তবে ওই হামলার দিনই প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম হিজবুল্লাহর পদক্ষেপকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ আখ্যা দিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন।
সূত্র: এএফপি
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

