ঢাকা বুধবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২১, ১৪ মাঘ ১৪২৭
Ekushey Sangbad
Janata Bank
করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ নির্দেশনা

ঢাকায় বায়ুদূষণ: স্মরণকালের সবচেয়ে বিপজ্জনক অবস্থা আজ


Ekushey Sangbad
একুশে সংবাদ ডেস্ক
০১:৩৪ পিএম, জানুয়ারি ১০, ২০২১
ঢাকায় বায়ুদূষণ: স্মরণকালের সবচেয়ে বিপজ্জনক অবস্থা আজ

বায়ুদূষণে ফের শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে রাজধানী ঢাকা। স্মরণকালের সবচেয়ে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে আজ ঢাকার বাতাস। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বায়ুমান যাচাইয়ের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এয়ার ভিজ্যুয়াল একিউআই-এর বায়ুমান সূচক অনুযায়ী, আজ রোববার (১০ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ২০ মিনিটের সর্বশেষ তথ্যে জানা যাচ্ছে, ঢাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা হচ্ছে গড়ে ৪৩৯।

এর আগে গত ২১ নভেম্বর ঢাকায় সর্বোচ্চ বায়ুদূষণের মাত্রা ছিল ৩১৫। যেটা দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত নগরীর তালিকায় এক নম্বরে উঠে এসেছিল ঢাকা। সে থেকে ক্রমাগত বায়ুদূষণের মাত্রা শুধু বাড়ছেই। যেটার সর্বশেষ পরিস্থিতি গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫০-এর কাছাকাছি।

এয়ার ভিজ্যুয়ালে’র একিউআই সূচকে দেখা যাচ্ছে, ঢাকার প্রতি ঘনমিটার বাতাসে সুক্ষ ধূলিকণার (পিএম ২.৫) উপস্থিতি পাওয়া গেছে ৩৭৯.৪ মাইক্রোগ্রাম। বাতাসে স্বাভাবিক দূষণের মাত্র ৫০ একিউআই। অথচ ঢাকার বাতাস তার চেয়ে ৫ গুণ বেশি দূষিত।

ঢাকার মধ্যে আবার সবচেয়ে বেশি দূষিত এলাকা আজ বারিধারা-আমেরিকান এম্বেসির কাছাকাছি এলাকা। যেখানে বায়ুমান পাওয়া গেছে ৫০০’রও বেশি।

বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে ঢাকার পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা নেপালের কাঠমান্ডুর সূচকের চেয়ে ঢাকার মাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি। কাঠমান্ডুর একিউআই মাত্রা হচ্ছে মাত্র ১৯৫। তৃতীয় স্থানে আফগানিস্তানের কাবুল, তাদের বাতাসের মান ১৭৭ একিউআই এবং পাকিস্তানের লাহোরের বাতাসের মানও ১৭৭ একিউআই।

আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে, ভারতের রাজধানী শহর দিল্লি এক সময় ছিল বায়ুদূষণে এক নম্বর স্থানে, তাদের অবস্থান এখন ৫ নম্বরে। শহরটির বাতাসে দূষণের পরিমাণ ১৭৫ একিউআই। কলকাতার অবস্থান ৭ নম্বরে। শহরটির বাতাসে দূষের মাত্রা ১৬৯ একিউআই।

এয়ার ভিজুয়্যাল বাতাসের মানকে মোট ৬টি স্কেলে পরিমাপ করে থাকে। এগুলো হচ্ছে- গুড, মডারেট, আনহেলদি ফর সেনসেটিভ গ্রুপস, আনহেলদি, ভেরি আনহেলদি এবং হেজার্ডাস (বিপজ্জনক)। ঢাকার বায়ুদূষণের মাত্রাকে হেজার্ডাস বলেই অভিহিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বায়ুমান যাচাইয়ের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এয়ার ভিজ্যুয়াল।

একুশে সংবাদ/জা/এআরএম