পরীক্ষাকেন্দ্রে নকলের ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে সতর্ক করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৪ জুন) সকালে রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঢাকা, ময়মনসিংহ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রীয় সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রচলিত অর্থে নকলের ঘটনা কমে এলেও এর ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর নানা কৌশলে অসদুপায় অবলম্বনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ কারণে সাইবার আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে নকল কার্যক্রমে সহযোগিতাকারীরা কোনোভাবেই দায় এড়াতে না পারে।
তিনি আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে। এসব অপচেষ্টা মোকাবিলায় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
সভায় শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা জানুয়ারি মাসে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া ২০২৭ সালে জাতীয় শিক্ষাক্রম পরিমার্জন এবং ২০২৮ সাল থেকে সংশোধিত কারিকুলাম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০২২ সালের পর যেসব শিক্ষক অবসর ভাতা পাননি, তাদের জন্য আগামী জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে ভাতা প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।
শিক্ষা খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

