ঈদের ছুটি শেষ হলেও রাজধানীর বাজারে এখনো স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরেনি। দোকানপাট পুরোপুরি না খোলায় সরবরাহে ঘাটতি থাকলেও নিত্যপণ্যের দামে স্বস্তি নেই ক্রেতাদের।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতা ও বিক্রেতা—দুই পক্ষের উপস্থিতিই তুলনামূলক কম। তবে চাহিদা কমলেও কমেনি পণ্যের দাম।
বিক্রেতাদের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে মুরগির দাম কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়, লেয়ার ৩৫০ টাকা, ব্রয়লার ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন খরচ বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে মুরগির বাজারে।
গরু ও খাসির মাংসের দামও আগের উচ্চ পর্যায়েই রয়েছে। বাজারে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকায়।
সবজির বাজারেও চড়া দাম অব্যাহত রয়েছে। ঢ্যাঁড়স ৮০ টাকা, করলা ১৬০ টাকা, গোল বেগুন ১৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা এবং উচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পটোল ৮০ টাকা ও লাউ ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
তবে কিছু পণ্যের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। বাজারে পেঁয়াজ ৩৫ টাকা এবং আলু ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা বলছেন, ঈদের পর অনেক ব্যবসায়ী এখনো দোকান পুরোপুরি চালু করেননি এবং অনেক ক্রেতাও ঢাকায় ফেরেননি। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়ায় বাজারে এই অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

