ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২২, ১৩ মাঘ ১৪২৮

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
Janata Bank
Rupalibank

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৫:০০ পিএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১
প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ নতুনভাবে উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিনিয়োগ করবে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) মঙ্গলবার ওবেসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। ডিএসই জানায়, কোম্পানির উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে মূলধন যন্ত্রপাতি, সিভিল কনস্ট্রাকশন এবং অন্যান্য সহায়ক কাজের মাধ্যমে ভারসাম্য, আধুনিকীকরণ, পুনর্বাসন এবং সম্প্রসারণ করা হবে।

সূত্র মতে, কোম্পানির উৎপাদন ক্ষমতা দুইভাবে বাড়ানো হবে। একটি হলো চলমান প্রকল্প সংস্কার, সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন (বিএমআরই), অন্যটি হলো নতুন একটি প্রকল্প করা হবে। দুইভাবে কোম্পানিটিতে ৮৫ দশমিক ৪৫ মিলিয়ন ইউএসডি বিনিয়োগ করা হবে। ৮৫ টাকা করে ডলারের দর ধরলে প্রায় ৭২৬ কোটি ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নতুন প্রকল্প থেকে প্রতি মাসে আয় বাড়বে ৭ মিলিয়ন ইউএসডি। প্রতি বছর প্রায় টার্নওভার বাড়বে ৭১৪ কোটি টাকা।

প্রতি মাসে এই টাকার মধ্যে ইয়ার্ন ডাইং ইউনিটে বর্তমানে উৎপাদন হচ্ছে ৯৬০ টন। নতুন উৎপাদন ক্ষমতা বাড়বে ১৮০ টন। প্রতি মাসে সব মিলিয়ে ইয়ার্ন ডাইং ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা হবে ১১৪০ টন। বর্তমানে প্রতি মাসে ওয়েভিং ইউনিটে  উৎপাদন হচ্ছে ৩৩ লাখ। নতুন উৎপাদন ক্ষমতা বাড়বে ১৭ লাখ। সব মিলিয়ে প্রতি মাসে ওয়েভিং ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা হবে ৫০ লাখ গজ।

বর্তমানে প্রতি মাসে সলিড ডায়িং ইউনিটে উৎপাদন হচ্ছে ৬ লাখ। নতুন উৎপাদন ক্ষমতা বাড়বে সাড়ে ১৬ লাখ। সব মিলিয়ে প্রতি মাসে ওই ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা হবে সাড়ে ২২ লাখ গজ। প্রিন্টিং ইউনিটে প্রতি মাসে বর্তমানে উৎপাদন হচ্ছে ৪৫০ টন। নতুন উৎপাদন ক্ষমতা বাড়বে ৪৫০ টন। সব মিলিয়ে প্রতি মাসে এই ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা হবে ৯০০ টন।

নতুন করে নিটিং ফেব্রিক্স ইউনিট করতে যাচ্ছে কোম্পানিটি। এই ইউনিটে প্রতি মাসে ৪০০ টন নিটিং ফেব্রিক্স উৎপাদন হবে। অন্যদিকে সর্বশেষ নভেম্বর মাসে বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে কোম্পানিটিতে। গত অক্টোবর মাসের তুলনায় নভেম্বরে কোম্পানিটিতে বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে ০.৩৪ শতাংশ।

এ ক্যাটাগরির কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে শেয়ার রয়েছে ৬০ দশমিক ৯৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪ দশমিক ০৯ শতাংশ এবং সাধারন বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৬ দশমিক ৩১ শতাংশ।

প্রসঙ্গত, কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের সমাপ্ত অর্থবছরের ২৫ শতাংশ লভ্যাংশের ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। এটি ছিল তালিকাভূক্তির পর কোম্পানিটির সর্বোচ্চ লভ্যাংশ।

এছাড়া, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই,২১-সেপ্টেম্বর,২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৫৩ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ১ টাকা ৫১ পয়সা।


একুশে সংবাদ/বাবু