ঢাকা সোমবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২১, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
Janata Bank
Rupalibank

লাগামহীন দামে স্বস্তি নেই ক্রেতাদের 


Ekushey Sangbad
একুশে সংবাদ ডেস্ক
০১:১০ পিএম, ১৫ অক্টোবর, ২০২১
লাগামহীন দামে স্বস্তি নেই ক্রেতাদের 

আজ শুক্রবার (১৫অক্টোবর) রাজধানীর বাজার গুলোতে গুরে দেখাযায় গত কয়েকদিন ধরেই দাম বেড়েছে প্রায় সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্য পণ্যের। মাছ, মাংস, মুরগি থেকে শুরু করে চাল, ডাল, তেলের বাজারও ঊর্ধ্বমুখী। স্বস্তি নেই সবজির বাজারেও। যেখানে আগাম মৌসুমি সবজির আমদানি শুরু হওয়ায় দাম কমার কথা,থাকেলেও সেখানে বাড়তি দামে দিশেহারা ক্রেতারা ।

শুক্রবার রাজধানীর  কাঁচাবাজার, কলাবাগান, কাঁঠালবাগান বাজার ঘুরে দেখা যায়- মাছ-মাংস, শাক-সবজিসহ সবকিছুর দামই স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাচ্ছেন বিক্রেতারা। ছুটির দিন হওয়ার এসব বাজারে অন্যান্য দিনের তুলনায় মানুষজনের উপস্থিতিও বেশি লক্ষ করা যাচ্ছে ।

 
এসব খুচরা বাজারে পেঁয়াজ, ডিমের দাম কিছুটা কমলেও আলু, টমেটো, করলা, বেগুন ,পটল , কাঁচা পেঁপে, শসা, গাজর, লাউ,ফুলকপি,বরবটি, মিষ্টি কুমড়া, ঝিঙ্গা,চিচিঙ্গা, কচুর লতি, ঢেঁড়স, লাউশাক, পালং শাক, লাল শাক, কলমি শাক,সহ সবধরনের শাক সবজির দামই ছিল চড়া।

 

আগে ৫০-৫৫ টাকা কেজি দামে বিক্রি হওয়া বেগুন দাম এখন বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬৫ টাকা। পেঁয়াজের দাম ৭০ টাকা থেকে কমে ৬০ টাকা, কাঁচামরিচ আগে ১২০-১৩০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও আজ হয়েছে ১৪০ টাকা। রসুন কেজি প্রতি ১৩০-১৪০ টাকা যার পূর্বমূল্য ছিল ১২৫ টাকা। গোল আলুর দাম হয়েছে কেজি প্রতি ২৫ টাকা যার আগের দাম ২০ টাকা।

এছাড়াও আজকের বাজারে আদা ১৩০-১৪০ টাকা, করলা ৬০-৭০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, লাউ ৫০-৬০ টাকা,   কেজি, গাজর ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা,কাঁচা পেঁপে ২০ টাকা কচুর লতি ৭০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ এসব সবজি মাত্র এক সপ্তাহ আগেও পাওয়া যেতো ৫-১০ টাকা কমে। বাজারে লাল শাক, পালং শাক, মুলা শাক আঁটি প্রতি ১৫-২০ টাকা ও লাউ শাক ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।মুদি দোকানগুলোতে সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকায়।

কলাবাগান বাজারে সবজি বিক্রেতারা  বলেন, পাইকারি সবজি কিনতে আমাদের অতিরিক্ত দাম দিতে হচ্ছে। সেই প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। তবে শীতের সবজির আমদানি বাড়লে দাম কমবে। এর আগ পর্যন্ত এই কয়েকদিন বাজার চড়া যাবে।

সবজির এমন ঊর্ধ্বমুখী দামে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ক্রেতারা।   এক ক্রেতা বলেন ১৪০ টাকা দিয়ে এক কেজি মরিচ কিনতে হচ্ছে। ৫০-৬০ টাকার নিচে কোনো সবজিই নাই। আমরা সাধারণ মানুষ কীভাবে বাঁচব? বাজারে সবকিছুর দাম বেড়েছে ঠিকই কিন্তু আয় বাড়েনি আমাদের ।

অপরদিকে গরু ও খাসির মাংসের দাম আগের মতো থাকলেও ব্রয়লার মুরগির দাম  বেড়ে পৌঁছেছে ১৮০ টাকায়। গরু ৬০০ টাকা, খাসির ৯০০-১০০০ টাকা, লেয়ার ২৫০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিম  ৩৮-৪০ টাকা হালি বিক্রি হলেও এখন তা একটু কমে  নেমেছে ৩৬ টাকায়।

 
স্বস্তি নেই মাছের বাজারেও। বাজারগুলোতে প্রতি কেজি রুই ৩৫০-৩৮০ টাকা, কাতলা ৩৪০-৩৫০ টাকা, পাবদা ৫৫০-৬০০ টাকা,পাঙাশ ১৮০-২০০ টাকা, ছোট তেলাপিয়া ১৪০-১৫০ টাকা, বড় তেলাপিয়া ১৯০-২০০ টাকা, গ্রাস কার্প ১৫০-১৭০ টাকা, সিলভার কার্প ১৭০-১৯০ টাকা,গলদা চিংড়ি ৭০০-৭৫০ টাকা ও শিং মাছ ৪৫০-৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও ছোট কাচকি ৩৫০ টাকা ও মলা মাছ ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুদি দোকানগুলোতে সয়াবিন তেল ১৪০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মোটা ডাল ৯৫-১০০ টাকা ও চিকন ডালের দাম ১০০-১১০ টাকা। চালের বাজার রয়েছে অপরিবর্তিত।  

একুশে সংবাদ/ আ