AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

পুঠিয়ায় আমের ন্যায্য দাম না পেয়ে হতাশ চাষিরা


Ekushey Sangbad
পুঠিয়া প্রতিনিধি, রাজশাহী
০৬:০১ পিএম, ১০ জুন, ২০২৬

পুঠিয়ায় আমের ন্যায্য দাম না পেয়ে হতাশ চাষিরা

রাজশাহীর পুঠিয়ায় চলতি মৌসুমে আমের ভালো ফলন হলেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন চাষিরা। বাজারে আমের দরপতনের কারণে অনেক বাগান মালিক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এর সঙ্গে ‘ঢলন’ প্রথার কারণে অতিরিক্ত আম দিতে হওয়ায় তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, এবার অতিরিক্ত গরমের কারণে বিভিন্ন জাতের আম প্রায় একই সময়ে পেকে গেছে। ফলে মৌসুমের শুরুতেই বাজারে ব্যাপক সরবরাহ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে ঈদুল আজহার ছুটির কারণে অনেক পাইকারি ক্রেতা আম কিনতে মাঠে নামতে পারেননি। ঈদের পরও পর্যাপ্ত ক্রেতার উপস্থিতি না থাকায় আমের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

তারা আরও জানান, গত বছরের তুলনায় এবার অনেক জাতের আমের দাম প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। ফলে চাষিরা আম নিয়ে বাজারে এলেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরছেন। এছাড়া প্রতি মণ আমের সঙ্গে অতিরিক্ত ৪ থেকে ৫ কেজি ‘ঢলন’ নেওয়ার কারণে বাগান মালিকরা আরও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

পুঠিয়া উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১ হাজার ৫৪০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে গড় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১২ দশমিক ৫ মেট্রিক টন। সে হিসেবে মোট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ১৯ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে ফলন ভালো হলেও অতিরিক্ত সরবরাহ ও পাইকারদের অনুপস্থিতি বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

বর্তমানে বানেশ্বর বাজারে প্রতি মণ গোপালভোগ আম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকায়, লোকনা ৬৫০ থেকে ৮৫০ টাকা, খিরসাপাত বা হিমসাগর ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা, ল্যাংড়া ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা এবং রানীপ্রসাদ ৮০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায়। জুনের শেষ দিকে বাজারে আসার কথা থাকলেও ইতোমধ্যে কিছু ফজলি আমও উঠেছে, যার দাম প্রতি মণ ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা।

পুঠিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী বলেন, “এবার ফলন ভালো হলেও অতিরিক্ত গরমে মানুষের আম কেনার আগ্রহ কিছুটা কমেছে। বাজারে চাহিদার ঘাটতিই মূলত দরপতনের প্রধান কারণ। তবে আশা করছি, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বাজার পরিস্থিতির উন্নতি হবে।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান বলেন, “আমে ‘ঢলন’ প্রথা বাতিলের বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৈঠক হয়েছে। দ্রুত এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!