নেত্রকোনার মদন উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত ক্রেডিট চেকিং কাম-সায়রাত সহকারী সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বিভাগীয় লঘুদন্ড দেওয়া হয়েছে। তবে দণ্ডপ্রাপ্তির দুই মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো স্বপদে বহাল রয়েছেন।
সূত্রে জানা গেছে, সাজ্জাদ হোসেন নেত্রকোনা সদরে কর্মরত থাকাকালীন অসম্পূর্ণ আমানতনামা সরবরাহের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ অনুযায়ী মামলা করা হয়। ব্যক্তিগত শুনানিতে তিনি নিজের অপরাধ স্বীকার করলে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় গত ২ ফেব্রুয়ারি অফিস আদেশের মাধ্যমে ‘তিরস্কার’ সূচক লঘুদন্ড প্রদান করে।
এই বিষয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত কর্মচারীর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের কোনো উত্তর না দিয়ে উল্টো ভিডিও করতে থাকেন।
মদন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাওলীন নাহার জানান, লঘুদন্ড প্রদানের মাধ্যমে তার বিভাগীয় মামলাটি নিষ্পত্তি হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে ওই কর্মচারীর অপেশাদার আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং সতর্ক করার আশ্বাস দেন।
তবে এই ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন তুলেছে—অপরাধ স্বীকার করলেও কি শুধুমাত্র ‘তিরস্কার’ দিয়ে দায়মুক্তি দেওয়া উচিত?
একুশে সংবাদ/যাবিদ



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

