সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী তৌফিক বিন ফাউজান আল রাবিয়াহ এবং বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ-এর মধ্যে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদার ও সেবার মানোন্নয়নে উভয় পক্ষ ঐকমত্যে পৌঁছায়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ বৈঠকের ফলে বাংলাদেশি হাজিদের জন্য সেবায় নতুন গতি আসবে।
সোমবার (৩০ মার্চ) সৌদি আরবের স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় King Salman International Convention Center-এ এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে ধর্মমন্ত্রী বলেন, পবিত্র দুই মসজিদের খাদেম সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ এবং ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান-এর নেতৃত্বে হজ ও উমরাহ ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরব উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ব্যবস্থাপনা আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। এ জন্য সৌদি সরকারকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
দুই দেশের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ধর্মমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক পারস্পরিক আস্থা ও ধর্মীয় বন্ধনে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে এ সম্পর্ক আরও উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং হজ-উমরাহসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।
বৈঠকে ধর্মমন্ত্রী বাংলাদেশের হাজিদের কল্যাণে একটি লিখিত প্রস্তাবনা সৌদি মন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন। শেষে উভয় দেশের পক্ষ থেকে সৌজন্য উপহার বিনিময় করা হয়।
এর আগে কনভেনশন সেন্টারে পৌঁছালে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের ধর্মমন্ত্রীকে স্বাগত জানায়।
বৈঠকে ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, সৌদিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন, ডেপুটি মিনিস্টার ড. আল হাসান ইয়াহিয়া আল মানখারা, অতিরিক্ত সচিব মো. আয়াতুল ইসলাম, জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেটের কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, তৃতীয় উমরাহ ও ভিজিট ফোরামে অংশ নিতে ধর্মমন্ত্রী বর্তমানে সৌদি আরব সফর করছেন।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

