AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

বাউফলে মধ্যরাতে বিএনপি-জামায়াতের একাধিক সংঘর্ষ, আহত ৪


Ekushey Sangbad
মোঃ ফোরকান, বাউফল, পটুয়াখালী
১২:১০ পিএম, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বাউফলে মধ্যরাতে বিএনপি-জামায়াতের একাধিক সংঘর্ষ, আহত ৪

পটুয়াখালী-২ (বাউফল) সংসদীয় আসনে পৃথক স্থানে সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর চারজন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন। এ ছাড়া বিএনপির একটি নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলার অভিযোগ উঠেছে।

অপরদিকে, একটি দোকান থেকে দুটি দেশীয় অস্ত্র (রামদা) উদ্ধারের ঘটনায় দোকানিকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আটটার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে এবং পরে মধ্যরাতে কেশবপুর ইউনিয়নে এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন কালাইয়া ইউনিয়নের রায়হান (১৭) ও ফারুক হাওলাদার (৪৫) এবং কেশবপুর ইউনিয়নের নাইম (২৯) ও সাঈদ (৩১)।

এদের মধ্যে রায়হান ও ফারুকের অবস্থার অবনতি হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালাইয়া ইউনিয়নের আয়নাবাজ কালাইয়া গ্রামে জামায়াতের একটি প্রচার মিছিল চলাকালে একজন বিএনপি সমর্থক ধানের শীষের স্লোগান দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার সঙ্গে এক জামায়াত সমর্থকের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে মিছিলে থাকা জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরা এসে বিএনপির একটি নির্বাচনী ক্যাম্পে ঢুকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

পরবর্তীতে উভয় দলের আরও নেতা-কর্মী দেশীয় অস্ত্রসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কিছুক্ষণ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় রায়হান নামের এক ছাত্রদল কর্মীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। খবর পেয়ে যৌথ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় স্থানীয় একটি দোকান থেকে দুটি দেশীয় অস্ত্র (রামদা) উদ্ধার করা হয় এবং দোকানি সোহেলকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়।

এদিকে একই এলাকায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফারুক হাওলাদার নামের এক জামায়াত সমর্থককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, যুবদলের আহ্বায়ক গাজী গিয়াসের নেতৃত্বে তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। অপরদিকে, মধ্যরাতে কেশবপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সাঈদ ও নাইম নামের দুই জামায়াত সমর্থককে মারধর করা হয়। তাদের অভিযোগ, বিএনপি সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

আটক দোকানি সোহেল দাবি করেন, তার দোকান থেকে কোনো অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। সংঘর্ষের সময় কেউ নজর এড়িয়ে তার দোকানে রামদা রেখে যেতে পারে বলে তিনি জানান। সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে আটক করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ঘটনার পর আহত ছাত্রদল নেতা রায়হানের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে যান বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী শহিদুল আলম তালুকদার। এ সময় তিনি নিজ দলীয় নেতা-কর্মী ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান।

উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গাজী গিয়াস বলেন, “জামায়াতের সমর্থকরা মিছিল সহকারে হঠাৎ আমাদের একটি নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা চালায় এবং ছাত্রদল নেতা রায়হানকে কুপিয়ে জখম করে। তারা ইচ্ছাকৃতভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। ফারুক হাওলাদারের ওপর হামলার ঘটনায় আমি জড়িত নই।”

জামায়াত সমর্থক শাহিন বলেন, “আমরা নির্বাচনী ক্যাম্পের ধারেকাছেও যাইনি। বরং দোকানের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা আমাদের কয়েকজন কর্মীকে বিএনপির লোকজন হামলা চালিয়ে আহত করেছে।”

এ বিষয়ে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে পুলিশ সূত্র জানায়, বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে এবং কালাইয়া ইউনিয়ন থেকে দেশীয় অস্ত্র (রামদা) উদ্ধারসহ একজনকে আটক করা হয়েছে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!