কুড়িগ্রাম-১ (ভূরুঙ্গামারী–নাগেশ্বরী) আসনে ভোটের মাঠে সরব ১১ দলীয় ঐক্যজোট ও জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গ্রাম-গঞ্জে ছুটে বেড়িয়ে ভোটারদের কাছে নিজের অবস্থান ও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরছেন তিনি।
নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে বিজয়ী করতে মরিয়া জোটের নেতাকর্মীরাও। সকাল থেকে রাত অবধি গণসংযোগ, পথসভা ও জনসভায় অংশ নিয়ে ভোটারদের কাছে সমর্থন চাইছেন তারা। প্রচারণায় কোনো ধরনের ছাড় দিতে নারাজ জামায়াত ও তার শরিক দলগুলো।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইছেন অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম। বিকেলে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা সদরের থানা রোডে নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর একে একে শিলখুড়ী ইউনিয়নের পাগলারহাট বাজারে পথসভা, তিলাই ইউনিয়নের ধামেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জনসভা, পাথরডুবি ইউনিয়নের থানাঘাট বাজার ও ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে পৃথক পথসভায় অংশ নেন। এর আগে খৈবর মোড়, বলদিয়া বাজার, কাশিম বাজার ও সাধু মোড়েও তিনি নির্বাচনী সভা করেন।
প্রতিটি সভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
গণসংযোগকালে অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম বলেন,
“আমি ক্ষমতার জন্য নয়, আপনাদের সেবক হতে চাই। উন্নয়নের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেব না। তবে আল্লাহর রহমতে নির্বাচিত হলে নিজে দুর্নীতি করবো না, অন্যকেও করতে দেব না। উন্নয়ন বরাদ্দ যা আসবে তা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে।”
তিনি কালিগঞ্জ ঘাটে দুধকুমার নদে একটি সেতু নির্মাণ, সোনাহাট স্থলবন্দর ও কচাকাটার মাঝামাঝি এলাকায় একটি ৩০ শয্যার হাসপাতাল স্থাপন, রাস্তাঘাট উন্নয়ন, বেকারত্ব দূরীকরণ, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত এলাকা গড়ার আশ্বাস দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের আমির আজিজুর রহমান সরকার স্বপন, উপজেলা জামায়াতের আমির আলহাজ আনোয়ার হোসেন, এনসিপির উপজেলা মুখ্য সমন্বয়ক মাহফুজুল ইসলাম কিরণ, সাবেক উপজেলা আমির মাওলানা রুহুল আমিন হামিদী, উপজেলা সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেন, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরিফুল ইসলামসহ ১১ দলীয় জোট ও জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

