AB Bank
  • ঢাকা
  • শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

মোরেলগঞ্জে ৫৬টি কমিউনিটি ক্লিনিকের বেশিরভাগই বন্ধ



মোরেলগঞ্জে ৫৬টি কমিউনিটি ক্লিনিকের বেশিরভাগই বন্ধ

“স্বাস্থ্য সবার, সেবা সবার দোরগোড়ায়—কমিউনিটি ক্লিনিক গ্রামীণ সেবা” এ স্লোগানকে সামনে রেখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে সারাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম চলমান থাকলেও বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ৫৬টি কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ এক বছর ধরে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ। সপ্তাহে কর্মদিবসের অধিকাংশ দিন ক্লিনিক বন্ধ থাকে, মূল ফটকে ঝুলছে তালা। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদেরও নেই কোনো তদারকি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর ধরে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ থাকায় রোগীরা বিপাকে পড়েছেন। প্রতিদিন শত শত রোগী ক্লিনিকে এলেও ওষুধ না থাকায় সিএইচসিপিদের (কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার) ১-২ ঘণ্টা বসে থেকে ক্লিনিক বন্ধ করে চলে যেতে হচ্ছে। দূর-দূরান্ত থেকে সাধারণ মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসার আশায় এসে ওষুধ না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বারইখালী ইউনিয়নের তেঁতুলবাড়িয়া কমিউনিটি ক্লিনিক, জিউধরা ইউনিয়নের বরইতলা কমিউনিটি ক্লিনিকসহ গত তিন দিনে জিউধরা, বহরবুনিয়া, বারইখালী, পুটিখালী, বলইবুনিয়া, তেলিগাতি, পঞ্চকরণ ইউনিয়নের অধিকাংশ ক্লিনিকই বন্ধ পাওয়া গেছে।

মোরেলগঞ্জ উপজেলায় ১৬ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় প্রায় ৪ লাখ মানুষের জন্য ৫৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। কিন্তু ৫২ জন সিএইচসিপি কর্মরত থাকলেও তারা নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের তদারকি নেই। এক বছর ধরে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ থাকায় রোগী ও সিএইচসিপিদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

ক্লিনিককর্মীরা অভিযোগ করেছেন, স্টোরকিপার কেএম মাসুদ সময়মতো চাহিদা না দেওয়ায় ওষুধ সরবরাহ বিলম্বিত হচ্ছে। যদিও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন— সারাদেশেই কমিউনিটি বেজড হেলথকেয়ার (সিবিএইচসি) প্রকল্পের আওতায় ওষুধ সরবরাহ বন্ধ আছে।

তেঁতুলবাড়িয়া ক্লিনিকের সিএইচসিপি সুমন হাওলাদার, বরইতলা ক্লিনিকের সিএইচসিপি আশিষ বিশ্বাস, বদনীভাঙ্গা ক্লিনিকের সিএইচসিপি মো. জিয়াউর রহমানসহ একাধিক কর্মী জানান, ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত ২২ প্রকারের প্রাথমিক চিকিৎসার ওষুধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে রোগীদের চাহিদা মেটাতে পারছেন না তারা।

স্থানীয় বাসিন্দা ইয়াকুব মুন্সী, সোনিয়া বেগম ও জাহিদ হাওলাদার বলেন, “কোনো কোনো সপ্তাহে ২-৩ দিন ক্লিনিক খোলা থাকে। তাতেও ডাক্তার কয়েক ঘণ্টা থেকে চলে যান। প্রতিদিন একই কথা শুনতে হচ্ছে—‘ওষুধ নেই’। এ অবস্থা আর কতদিন চলবে?”

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, “কিছু সিএইচসিপি মৌখিক ছুটিতে থাকায় ক্লিনিক বন্ধ থাকতে পারে। বরাদ্দকৃত ওষুধ শিগগিরই সরবরাহ হবে।”

 

একুশে সংবাদ/বা.প্র/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!