AB Bank
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
ekusheysangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

শ্রীমঙ্গলে বৃষ্টির পর প্রুনিং করা চা গাছগুলোয় উঁকি দিয়েছে নতুন কুঁড়ি


শ্রীমঙ্গলে বৃষ্টির পর প্রুনিং করা চা গাছগুলোয় উঁকি দিয়েছে নতুন কুঁড়ি

চায়ের রাজধানী খ্যাত মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সম্প্রতি দেখা মিললো স্বস্তির বৃষ্টির। এর ফলে চা উৎপাদনে সুফল বয়ে এনেছে এ বৃষ্টি। বৃষ্টিপাতের ফলে প্রাকৃতিক রুক্ষতা দূর হয়ে গাছ-গাছালিতে কিছুটা সবুজ প্রাণ ফিরে এসেছে, বিশেষ করে শ্রীমঙ্গল উপজেলার চা বাগানগুলোতে। সেই সঙ্গে রাস্তাঘাট ও প্রকৃতিতে ধুলোর যে আস্তরণ পড়েছিল তা ধুয়ে গেছে। এ সময়ের বৃষ্টি কৃষির জন্য আশির্বাদ বয়ে এনেছে। এই প্রাকৃতিক বৃষ্টিপাত চা বাগানের জন্য অনেক উপকারি বলে জানিয়েছেন চা বাগান সংশ্লিষ্টরা। 

সরজমিন শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিভিন্ন চা বাগান ঘুরে দেখা যায়, উপজেলায় প্রথম বৃষ্টির পর প্রুনিং করা চা গাছগুলোয় উঁকি দিয়েছে নতুন কুঁড়ি। ছাঁটাই করা গাছগুলোয় কিছুটা সজিবতাও ফিরেছে। চা বাগানের মালিকরা বলেন, খরার পর এই বৃষ্টি যেন ‘আশীর্বাদ’ হিসেবেই এসেছে। স্থানীয় কৃষকরা জানান জানান, বোরো ধান ও আমের মুকুলের জন্য খুবই উপকার হয়েছে। বিশেষ করে বোরো খেতের সেচের পানির জন্য যে বিদ্যুৎ ও  জ্বালানি তেল খরচ হতো তা সাশ্রয় হওয়ায় কৃষক অনেকটাই স্বস্তিবোধ করছেন।  

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী  শ্রীমঙ্গলে সাম্প্রতি সিলেট বিভাগের মাঝে সর্বাধিক বৃষ্টিপাত হয়েছে। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক আনিসুর রহমান জানান গত ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শ্রীমঙ্গলে মোট বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে ৭৩ মিলিমিটার।     

বাংলাদেশীয় চা সংসদের (বিসিএস) সিলেট ব্রাঞ্চ চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র টি-প্লান্টার গোলাম মোহাম্মদ শিবলি বলেন, আমরা এই বৃষ্টির অপেক্ষায় ছিলাম। বৃষ্টিপাত চায়ের জন্য অনেক উপকারী। বিশেষত ‘ইয়াং টি’ মানে নতুন চা গাছ যেগুলো আছে তারা উপকার পাবে। তারপর প্রুনিংকৃত চা গাছগুলো দ্রুত কুঁড়ি ছাড়বে। অলরেডি চা গাছগুলো কুঁড়ি ছাড়তে শুরু করে দিয়েছে। বৃষ্টির জন্য ঠিকমতো চা–গাছের কুঁড়ি চলে আসবে। আমরা তাড়াতাড়ি ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে (চা প্রক্রিয়াজাতকরণ) যেতে পারবো।  

নতুন কুঁড়ি না আসা, পানির সংকট, লাল মাকড়সার আক্রমণসহ নানান সমস্যা দূর হয়ে চা–গাছগুলোতে সজিবতা ফিরে এসেছে এই বৃষ্টিপাতে। 

শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মহি উদ্দিন জানান, খরা ও বৃষ্টিহীন মৌসুমের পর প্রকৃতি যখন রুক্ষ হয়ে ওঠে তখন শ্রীমঙ্গলে এমন হালকা বর্ষণ ফসলের জন্য উপকার বয়ে নিয়ে এসেছে।

বাংলাদেশ চা গবেষণা ইন্সটিটিউট এর পরিচালক ড. মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, খরার কারণে চা বাগান কর্তৃপক্ষ প্রতিদিন চা বাগানের ইরিগেশন (সেচ) দিয়ে চা গাছগুলোকে শতভাগ রক্ষা করতে পারছিলেন না। সাম্প্রতিক সময়ের বৃষ্টি চা শিল্পের জন্য সুফল বয়ে এনেছে। এই বৃষ্টিপাতের ফলে চা গাছগুলো ধীরে ধীরে তার আপন সজিবতা ফিরে পাচ্ছে।

 

একুশে সংবাদ/এস কে

Link copied!