ঢাকা রবিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২২, ১০ মাঘ ১৪২৮

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
Janata Bank
Rupalibank

সন্ধ্যা নদীতে সারবোঝাই বাল্কহেড ডুবির স্থান পরিদর্শন 


Ekushey Sangbad
উপজেলা প্রতিনিধি
০৫:৫৮ পিএম, ২৪ নভেম্বর, ২০২১
সন্ধ্যা নদীতে সারবোঝাই বাল্কহেড ডুবির স্থান পরিদর্শন 
ছবি: একুশে সংবাদ

ছবি: একুশে সংবাদ

রাহাদ সুমন, বানারীপাড়া: শিল্প মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বিসিআইসির কর্মকর্তারা বরিশালের বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে তলা ফেটে ৬ হাজার ৪শ’ বস্তা সার নিয়ে পণ্যবাহী নৌযান বাল্কহেড ডুবির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। 


আজ ২৪ নভেম্বর বুধবার দুপুরে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহার নেতৃত্বে বিসিআইসির খুলনার আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো.আবু সাঈদ ও বরিশাল গুদামের ইনচার্জ আ.রহিম খন্দকার উপজেলার চাখার ইউনিয়নের বড় চাউলাকাঠি এলাকা সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীতে সার বোঝাই নৌযান বাল্কহেড দুর্ঘটনারস্থল পরিদর্শন করেন। 


এ বিষয়ে বিসিআইসির খুলনার আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আবু সাঈদ বলেন, কাতার থেকে সরকারের আমাদানিকৃত ইউরিয়া সার যশোরের নওয়াপাড়ার অভয়নগরের ট্রানজিট পয়েন্ট থেকে নৌপথে উজিরপুরের শিকারপুর হয়ে মাদারীপুরের টেকেরহাটে সরকারি গুদামে নিয়ে যাওয়ার পথে ৬ হাজার ৪শ’ বস্তা ইউরিয়া সার বোঝাই নৌযানটি (বাল্কহেড) বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে দূর্ঘটনায় পতিত হয়। নরসিংদীর সরকার দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য মো. কামরুল আশরাফ পোটনের মালিকানাধীন মেসার্স পোটন ট্রেডার্স টেন্ডারের মাধ্যমে আমাদানিকৃত ওই ইউরিয়া সার সরবরাহের দায়িত্ব পায়। সারবোঝাই নৌযান বাল্কহেড ডুবে যাওয়ায় ওই সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকেই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, এতে সরকারকে কোন ক্ষতির সন্মূখিন হতে হবে না। 


এছাড়া সারবোঝাই বাল্কহেডটি নদীর তলদেশ থেকে উদ্ধার করার দায়িত্বও তাদের। সরেজমিন তদন্ত শেষে তারা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করবেন বলেও তিনি জানান। বানারীপাড়া থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন জানান, দূর্ঘটনার দিন সন্ধ্যায় নৌযান বাল্কহেডের মালিকের পক্ষে আনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তি দূর্ঘটনার বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছেন। 


এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা বলেন, নদীর পানিতে ডুবে ভিজে যাওয়ায় বিপুল পরিমান ইউরিয়া সার ব্যবহার অনুপযোগী হলেও এতে সরকারের কোন ক্ষতি হবে না। পন্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকেই এর দায় নিতে হবে এবং তাদের উদ্যোগেই নৌযান বাল্কহেডটি উদ্ধার করতে হবে। এদিকে  নৌযান বাল্কহেডটি যেখানে ডুবে আছে সেখানে একটি বাঁশ পুতে দেয়া হয়েছে, যেন অন্য কোন নৌযান দুর্ঘটনার শিকার না হয়। 


তবে এখনও নদীর তলদেশে নিমজ্জিত সারবোঝাই নৌযানটিকে (বাল্কহেড) উদ্ধারে কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। প্রসঙ্গত সোমবার (২২ নভেম্বর) সকালে বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের বড় চাউলাকাঠি এলাকা সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীতে ৬ হাজার ৪শ’ বস্তা ইউরিয়া সারবোঝাই নৌযান বাল্কহেড তলা ফেটে  ডুবে যায়। এসময় নৌযানের সুকানী শরিফুল ইসলাম ও দুইজন শ্রমিক নদী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন।


একুশে সংবাদ/আল-আমিন