মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে জয়ের একেবারে দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। তবে বৃষ্টির কারণে খেলা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টাইগারদের জয়ের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হয়েছে।
২৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪২.২ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ১৯১ রান। সফরকারীদের জয়ের জন্য তখনও ৪৬ বলে ৯৪ রান প্রয়োজন, আর বাংলাদেশের দরকার মাত্র ১টি উইকেট।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ক্যামেরন গ্রিন একপ্রান্ত আগলে রেখে অর্ধশতক পূর্ণ করলেও দলের জয়ের সম্ভাবনা ছিল অত্যন্ত ক্ষীণ। ঠিক এমন সময় বৃষ্টি শুরু হলে ম্যাচ বন্ধ ঘোষণা করেন আম্পায়াররা।
২৮৪ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠে নেমেই দারুণ সূচনা পায় বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম বলেই ম্যাথু শর্টকে বোল্ড করে সফরকারীদের চাপে ফেলেন তাসকিন আহমেদ।
পরের ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে এলবিডব্লিউ হন মার্নাস লাবুশেন। মাঠের আম্পায়ার প্রথমে আউট না দিলেও রিভিউ নিয়ে সফল হয় বাংলাদেশ। ফলে মাত্র ২ রানে ২ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।
জশ ইংলিশ কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও নাহিদ রানার গতিময় ডেলিভারিতে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ১৯ রানে ফেরেন তিনি। দলীয় ৫১ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।
দীর্ঘ চার বছর পর দলে ফেরা মোসাদ্দেক হোসেন ব্যাট হাতে ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস খেলার পর বল হাতেও অবদান রাখেন। নিজের দ্বিতীয় ওভারেই কুপার কনোলিকে ৩৫ রানে বোল্ড করে তিনি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য এনে দেন। তখন অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৯১/৪।
এরপর নাহিদ রানার গতির কাছে হার মানেন অ্যালেক্স ক্যারি। ৪৭ রানে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। পরে ম্যাট রেনশকে এলবিডব্লিউ করেন মোসাদ্দেক, আর টানা দুই ওভারে আরও দুই লোয়ার অর্ডার ব্যাটারকে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন নাহিদ।
১৫৬ রানে ৯ উইকেট হারানোর পর ক্যামেরন গ্রিন একাই লড়াই চালিয়ে যান এবং ৬৪ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন। তবে ম্যাচের ফল বদলে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগেই বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হয়ে যায়।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৮৪ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।
দীর্ঘ চার বছর পর দলে ফিরে ৭০ বলে অপরাজিত ৮৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন মোসাদ্দেক হোসেন। এছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত ৬৭ ও তানজিদ হাসান তামিম ৫৪ রান করেন। শেষদিকে তাসকিন আহমেদ ১৫ বলে ২০ রানের কার্যকর ইনিংস খেলে দলের সংগ্রহ বাড়াতে ভূমিকা রাখেন।
একুশে সংবাদ/ এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

