ডিসেম্বরের শেষ দিকে হাঁটুর চোটে পড়েন এমবাপে। যে চোট থেকে সেরে উঠতে প্রায় তিন সপ্তাহ সময় লাগার কথা ছিল। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ২৯ গোল করেছেন তিনি। মৌসুমে মাদ্রিদের শীর্ষ গোলদাতাকে ব্যথানাশক ইনজেকশন দিয়ে খেলানো হতে পারে কিনা, এমন প্রশ্নে আলোনসো জানান, ক্লাব কোনো তাড়াহুড়া করবে না।
গত বৃহস্পতিবার সেমিফাইনালে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে সেমিফাইনালে মাঠে নামতে পারেননি চোটের কারণেই। তবে শুক্রবার দলের সঙ্গে সৌদি আরবে গিয়েছেন এল ক্লাসিকোর স্কোয়াডের অংশ নিসেবে।
সংবাদ সম্মেলনে আলোনসো বলেন, ‘এটা এমন একটি সিদ্ধান্ত, যেটা কোচিং স্টাফ, খেলোয়াড় এবং চিকিৎসকদের মধ্যে আলোচনা করে নিতে হবে। আমাদের ঝুঁকির মাত্রা বুঝতে হবে, আমরা কোন অবস্থায় আছি, কী জন্য খেলছি। তারপর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে আমরা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কামিকাজে (বেপরোয়া) হই না। এটা হবে নিয়ন্ত্রিত ঝুঁকি।”
আলোনসো জানান, রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে গত সপ্তাহান্তের লা লিগা ম্যাচ এবং আতলেতিকোর বিপক্ষে ডার্বি মিস করার পর এমবাপে এখন অনেকটাই ভালো বোধ করছেন আগের চেয়ে। আলোনসো বলেন, ‘সে এখন অনেক ভালো আছে। আতলেতিকোর বিপক্ষে ম্যাচে সে পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল না, তাই আমরা তার প্রত্যাবর্তন ত্বরান্বিত করিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনায় ছিল ফাইনালে উঠতে পারলে এবং সে কেমন অনুভব করছে তা দেখে, তখন তাকে এখানে আনার বিষয়টি বিবেচনা করব। আজ সে যখন অনুশীলন করবে, তখন আমরা সব তথ্য পাব এবং বুঝতে পারব সে শুরুর একাদশে খেলতে পারবে কি না, নাকি সীমিত সময়ের জন্য নামবে।’
সুপার কাপ জিততে পারলে গত জুনে রিয়ালের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই হবে আলোনসোর প্রথম শিরোপা। যা তার ওপর থাকা চাপও অনেকটাই কমাবে।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

