AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ঈদে খাবারের ভিড়ে সুস্থতা বজায় রাখার উপায়


Ekushey Sangbad
লাইফস্টাইল ডেস্ক
০৯:৪৯ পিএম, ২৬ মে, ২০২৬

ঈদে খাবারের ভিড়ে সুস্থতা বজায় রাখার উপায়

কুরবানির ঈদ মানেই বাঙালির ঘরে ঘরে মাংসের বাহারি আয়োজন। এ সময় অনেকেই পছন্দের খাবার একটু বেশি খেয়ে ফেলেন। তবে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা না গেলেও পরে তা নানা শারীরিক জটিলতার কারণ হতে পারে।

বিশেষ করে উচ্চ প্রোটিন ও চর্বিযুক্ত খাবার বেশি খেলে গ্যাস্ট্রিক, কোষ্ঠকাঠিন্য, হজমের সমস্যা কিংবা ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

তাই ঈদের খাবার উপভোগের পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে সচেতন থাকা জরুরি। মাংসের পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ন রেখে অতিরিক্ত চর্বি কমাতে রান্নার পদ্ধতিতেও কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। নিচে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

ভিটামিন-সি’র ব্যবহার: মাংস রান্নার সময় বা ম্যারিনেশনে লেবুর রস, টকদই বা পেঁপে বাটা ব্যবহার করুন। ভিটামিন-সি মাংসের আয়রন (Iron) শরীরে শোষণ করতে দারুণ সাহায্য করে।

অতিরিক্ত মশলা বর্জন: অতিরিক্ত তেল ও ঝাল মশলা দিয়ে মাংস কষালে পুষ্টিগুণ নষ্ট হয় এবং লিভারের ওপর চাপ পড়ে। হালকা মশলায় স্টু, স্যুপ বা বেকড (Baked) করে খেলে মাংসের আসল পুষ্টি পাওয়া যায়।

চর্বি গলানোর কৌশল: মাংস সেদ্ধ করার পর উপরের জমে থাকা তেলের স্তরটি চামচ দিয়ে ফেলে দিন। এতে ক্যালরির পরিমাণ অনেক কমে যায়।

খাবারের প্লেটে পুষ্টির ভারসাম্য (Nutritional Balance):
শুধু মাংস না খেয়ে প্লেটটিকে একটি সুষম খাবারের থালায় রূপান্তর করতে হবে। এ ক্ষেত্রে খাবারের উপাদান, আদর্শ অনুপাত ও শরীরের ওপর প্রভাব পড়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

এ জন্য খাদ্যতালিকা যেমন হওয়া উচিত তা হলো- গরুর মাংস ২৫ শতাংশ (৩-৪ টুকরো), পেশি গঠন ও আয়রনের ঘাটতি পূরণ করে। লাল চালের ভাত বা রুটি ২৫ শতাংশ, যা শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তির জোগান দেয়। কাঁচা সালাদ ও সবজি ৫০ শতাংশ। কারণ, আঁশ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হজমে সাহায্য করে এবং কোলেস্টেরল কমায়।

হজমপ্রক্রিয়া ও মেটাবলিজম উন্নত করার উপায়:
আঁশযুক্ত খাবারের দুর্দান্ত কার্যক্রম: মাংসের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণ ইসবগুলের ভুষি, শসা, লেবু এবং পুদিনা পাতা রাখুন। এগুলো মাংসের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলকে রক্তে মিশতে বাধা দেয় এবং শরীর থেকে বের করে দেয়।

প্রোবায়োটিকস (Probiotics): খাবার খাওয়ার আধ ঘণ্টা পর এক বাটি টকদই বা ঘরে তৈরি জিরা-বোরহানি খান। এর মধ্যকার ভালো ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং পেট ফাঁপা দূর করে।

গ্রিন টি বা আদা চা: ভারী খাবার খাওয়ার ১ ঘণ্টা পর এক কাপ চিনি ছাড়া গ্রিন টি বা আদা-লেবুর চা পান করুন। এটি মেটাবলিজম বুস্ট করে চর্বি জমতে দেয় না।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!