ঢাকা মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই, ২০২২, ২১ আষাঢ় ১৪২৯

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
Janata Bank
Rupalibank

কীভাবে এলো ৩৩ নম্বরে পাস


Ekushey Sangbad
একুশে সংবাদ ডেস্ক
১২:২২ পিএম, ২৫ এপ্রিল, ২০২১
কীভাবে এলো ৩৩ নম্বরে পাস

১৮৫৮ সালে উপমহাদেশে প্রথম বারের মত মেট্রিকুলেশন পরীক্ষা চালু করা হয়। কিন্তু পাস নম্বর কত হবে তা নির্ধারণ নিয়ে বোর্ড কর্তৃপক্ষ দ্বিধাদ্বন্দে পড়ে যায় এবং ব্রিটেনে কনসাল্টেশনের জন্য চিঠি লেখা হয়।

তখন ব্রিটেনে স্থানীয় ছাত্রদের জন্য পাসের নম্বর ছিল ৬৫। সে সময় ইংরেজ সমাজে একটা প্রচলিত ধারণা ছিল, 'The people of Sub-continent are half as intellectual and efficient as compared to the British' অর্থাৎ 'বুদ্ধি ও দক্ষতায় উপমহাদেশের মানুষকে ইংরেজদের তুলনায় অর্ধেক বলে মনে করা হতো'।

এরই ধারাবাহিকতায় মেট্রিকুলেশনের পাস নম্বর ৬৫ এর অর্ধেক ৩২.৫ নির্ধারণ করা হয়। ১৮৫৮ সাল হতে ১৮৬১ সাল পর্যন্ত পাস নম্বর ৩২.৫ ই ছিল। ১৮৬২ সালে তা গণনার সুবিধার্থে বৃদ্ধি করে ৩৩ করা হয়। সেই থেকে এই ৩৩ নম্বরই চলছে। ফেডারেল পাকিস্তানেও ছিল, বাংলাদেশেও তাই চলছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে I.I.T তে বিষয় ভেদে পাস নম্বর ৪১ থেকে শুরু করে ৯০ পর্যন্তও হয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রে M.I.T তে বিষয় ভেদে ৩৬ থেকে ৪৫ এমন কি বাংলাদেশেও C.A কিংবা C.M.A- তে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পাস নম্বর নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।

আজব ব্যাপার হলো, প্রায় দুই শতাব্দী পরেও আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় ৩৩ নম্বরে উত্তীর্ণ হওয়ার ধারাবাহিক ইতিহাস বদলায়নি। এখনও চর্চা করা হচ্ছে ইংরেজদের দিয়ে যাওয়া শিক্ষা ব্যবস্থা।

 

একুশে সংবাদ/এ/ব