AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ঈদে ফ্রিজভর্তি মাংস, বাড়ছে বিদ্যুৎ খরচও


Ekushey Sangbad
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
০৩:৫৮ পিএম, ২৮ মে, ২০২৬

ঈদে ফ্রিজভর্তি মাংস, বাড়ছে বিদ্যুৎ খরচও

কোরবানির ঈদে প্রায় প্রতিটি বাসাতেই ফ্রিজ ও ডিপ ফ্রিজ ভরে যায় গরু বা খাসির মাংসে। অনেক সময় অতিরিক্ত মাংস সংরক্ষণের কারণে ফ্রিজে জায়গা কমে যায়, ঠান্ডা কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচও বেড়ে যায়। ভুলভাবে সংরক্ষণ করলে মাংসের স্বাদ ও পুষ্টিগুণও নষ্ট হতে পারে।

তবে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে অতিরিক্ত চাপের মধ্যেও ফ্রিজের বিদ্যুৎ খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব, পাশাপাশি দীর্ঘদিন মাংস ভালো রাখা যায়।

ঈদের আগে ফ্রিজ ও ফ্রিজার ভালোভাবে পরিষ্কার করে নেওয়া জরুরি। পুরোনো বা অপ্রয়োজনীয় খাবার সরিয়ে ফেললে নতুন মাংস রাখার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা তৈরি হয় এবং ঠান্ডা বাতাস সহজভাবে চলাচল করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরিষ্কার ফ্রিজে দ্রুত ব্যাকটেরিয়া ও দুর্গন্ধ তৈরি হয়, যা মাংসের গুণগত মান নষ্ট করতে পারে।

গরম মাংস সরাসরি ফ্রিজে রাখবেন না
কোরবানির পর অনেকেই তাড়াহুড়ো করে গরম বা কাঁচা তাজা মাংস সরাসরি ফ্রিজে ভরে ফেলেন। এটি ফ্রিজের কম্প্রেসরের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করে এবং বিদ্যুৎ খরচ বাড়িয়ে দেয়। মাংস প্রথমে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কিছুটা ঠান্ডা হতে দিন। এরপর ছোট ছোট ভাগ করে সংরক্ষণ করুন।

ছোট প্যাকেটে ভাগ করে রাখুন
একসঙ্গে বড় ব্যাগে মাংস জমিয়ে না রেখে রান্নার প্রয়োজন অনুযায়ী ছোট ছোট প্যাকেটে ভাগ করুন। এতে পুরো মাংস বারবার বের করে গলাতে হবে না। এছাড়া ছোট প্যাকেটে রাখলে ফ্রিজের ভেতর ঠান্ডা বাতাস চলাচল সহজ হয় এবং ফ্রিজ কম শক্তি ব্যবহার করে।

ফ্রিজ বেশি ভর্তি করলেও বাতাস চলাচলের জায়গা রাখুন
অনেকেই মনে করেন পুরো ফ্রিজ ঠাসাঠাসি করে ভরে ফেলাই ভালো। কিন্তু অতিরিক্ত চাপ দিলে ঠান্ডা বাতাস সঠিকভাবে ছড়াতে পারে না। ফলে ফ্রিজকে বেশি সময় মোটর চালাতে হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্রিজ দুই-তৃতীয়াংশ ভর্তি থাকলে সবচেয়ে ভালোভাবে কাজ করে। তবে একেবারে গাদাগাদি করে ভরে ফেলা উচিত নয়।

সঠিক তাপমাত্রা সেট করুন
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য ফ্রিজের তাপমাত্রা ঠিক রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত ফ্রিজ অংশ ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ফ্রিজার মাইনাস ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। অতিরিক্ত কম তাপমাত্রা সেট করলে বিদ্যুৎ খরচ অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেড়ে যায়।

বারবার ফ্রিজ খোলা বন্ধ করুন
ঈদের সময় অতিথি আসা-যাওয়ার কারণে ফ্রিজ বারবার খোলা হয়। এতে ভেতরের ঠান্ডা বাতাস বেরিয়ে যায় এবং ফ্রিজকে পুনরায় ঠান্ডা করতে বেশি বিদ্যুৎ লাগে। তাই কী লাগবে আগে ঠিক করে একবারেই বের করার চেষ্টা করুন। দীর্ঘ সময় দরজা খোলা রাখাও এড়িয়ে চলুন।

ফ্রিজের পেছনে পর্যাপ্ত ফাঁকা জায়গা রাখুন
অনেক বাসায় ফ্রিজ একেবারে দেয়ালের সঙ্গে লাগিয়ে রাখা হয়। এতে তাপ বের হতে সমস্যা হয় এবং ফ্রিজ বেশি গরম হয়ে যায়। ফ্রিজের পেছনে অন্তত ২ ইঞ্চি ও পাশে কিছুটা ফাঁকা জায়গা রাখলে বাতাস চলাচল স্বাভাবিক থাকে এবং বিদ্যুৎ কম খরচ হয়।

বিদ্যুৎ চলে গেলে ফ্রিজ বারবার খুলবেন না
ঈদের সময় লোডশেডিং হলে অনেকেই আতঙ্কে বারবার ফ্রিজ খুলে দেখেন মাংস ঠিক আছে কি না। কিন্তু এতে দ্রুত ঠান্ডা নষ্ট হয়ে যায়। ফ্রিজ বা ডিপ ফ্রিজ যতটা সম্ভব বন্ধ রাখুন। পূর্ণ ফ্রিজ তুলনামূলক বেশি সময় ঠান্ডা ধরে রাখতে পারে।

দরজার রাবার ঢিলা কিনা পরীক্ষা করুন
ফ্রিজের দরজার রাবার বা গ্যাসকেট ঢিলা হয়ে গেলে ঠান্ডা বাতাস বেরিয়ে যায়। এতে কম্প্রেসর বেশি কাজ করে এবং বিদ্যুৎ বিল বাড়ে। তাই মাঝে মাঝে দরজার সিল ঠিক আছে কি না পরীক্ষা করা জরুরি।

ডিপ ফ্রিজ ব্যবহার করলে ফাস্ট কুলিং চালু করুন
অনেক ডিপ ফ্রিজে ‘ফাস্ট কুলিং’ বা ‘এক্সপ্রেস ফ্রিজ’ অপশন থাকে। ঈদের সময় একসঙ্গে বেশি মাংস রাখলে এই মোড ব্যবহার করলে দ্রুত ঠান্ডা হয় এবং খাবার দীর্ঘদিন ভালো থাকে। সূত্র: বিজনেস টাইমস, দিজ ওল্ড হাউজ

 

Link copied!