ঢাকা সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২ আশ্বিন ১৪২৮

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
Janata Bank
Rupalibank

দীর্ঘ  দিন ধরে বন্ধ ফেরি চলাচল, এখনো কমেনি স্রোত


Ekushey Sangbad
একুশে সংবাদ ডেস্ক
০৭:৩৫ পিএম, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
দীর্ঘ  দিন ধরে বন্ধ ফেরি চলাচল, এখনো কমেনি স্রোত

বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে দীর্ঘ সময় ধরে একটানা বন্ধ রয়েছে ফেরি চলাচল। আগস্ট মাসের ১৮ তারিখ দুপুর থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে সব ফেরি চলাচল।

বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাট কর্তৃপক্ষ তখন জানিয়েছিল, স্রোতের তীব্রতার কারণে দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে ফেরি চলাচল।  


দীর্ঘ ২৯ দিন ধরে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে যাত্রীরা। জরুরি প্রয়োজনে বা কেউ অসুস্থ হলে ঢাকায় যেতে ঘুরতে হচ্ছে দীর্ঘপথ। মাদারীপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীদের রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া হয়ে যেতে হচ্ছে রাজধানীতে।

ফলে বেড়েছে দূরত্ব, খরচ এবং সময়। বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে শুধুমাত্র লঞ্চ চলাচল করলেও ফেরিতে পার হওয়া যাত্রীবাহী যানবাহনকে ঢাকায় যেতে পরতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগে।  

বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ দিনেও নৌরুটে স্রোত কমেনি। ফলে এখনো ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। বিকল্প হিসেবে মাঝিকান্দি-শিমুলিয়া রুট চালুর জন্য মাঝিকান্দিতে পন্টুন বসানো হলেও ওই চ্যানেলে ডুবোচর থাকায় ফেরি চালানো সম্ভব হয়নি। স্রোত কমলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে।

লঞ্চে পার হওয়া মাদারীপুরের যাত্রী মো. আলম বলেন, গত সপ্তাহে এক রিলেটিভ অসুস্থ হলে তাকে ঢাকা নিতে হয়। এই নৌরুট বন্ধ থাকায় বিকল্প রুট দিয়ে যেতে হয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় এবং অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া বাংলাবাজার রুটের চেয়ে দ্বিগুণ দিতে হয়েছে। ফেরি বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীরা।

আরেক যাত্রী জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া হয়ে ঢাকায় যেতে শিবচর থেকে মাইক্রোবাস বা প্রাইভেটকারে এই রুটের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি ভাড়া নেয়। জরুরি প্রয়োজনে চরম ভোগান্তিতে পরতে হচ্ছে তাদের।

ক্ষোভ প্রকাশ করে বরিশালের এক যাত্রী বলেন, স্রোতের অজুহাত দেখিয়ে ফেরি বন্ধ রেখেছে। সংশ্লিষ্টরা এখন বসে বসে খাচ্ছে। প্রতিবছরই স্রোত বাড়ে। মানুষের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে অন্তত অ্যাম্বুলেন্স ও রোগীবাহী গাড়ি পার করার জন্য ফেরি চালু হোক। সবচেয়ে শক্তিশালী ২ টি ফেরি দিয়ে জরুরি পারাপার চালুর জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।

বিআইডব্লিউটিএর মেরিন কর্মকর্তা আহমদ আলী বলেন, স্রোতের মাত্রা কমেনি। তাই ফেরি বন্ধ রয়েছে। আমরা নিয়মিত মনিটরিং করছি। তবে কবে থেকে চলবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, স্রোত কমলেই ফেরি চলবে। আপাতত আগের সিদ্ধান্তই রয়েছে। নতুন ঘাট দিয়ে ফেরি চালানো সম্ভব নয়। কারণ চ্যানেলে ডুবোচর রয়েছে। স্রোত কমে গেলে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটেই ফেরি চালু হবে।