AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে অচল চট্টগ্রাম বন্দর


Ekushey Sangbad
জেলা প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
১১:০৩ এএম, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে অচল চট্টগ্রাম বন্দর

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা না দেওয়ার দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’। এর ফলে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।

রোববার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে এই ধর্মঘট কার্যকর হয়। কর্মসূচি শুরুর পর থেকেই বন্দরের জেটি, ইয়ার্ড, টার্মিনাল, প্রশাসনিক ভবন এবং বহির্নোঙর এলাকায় পণ্য খালাস ও পরিবহন কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়ে।

সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বন্দরের ৪ নম্বর গেট এলাকায় পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। তবে বন্দরের ভেতরে যানবাহনের চলাচল ছিল প্রায় শূন্য।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় প্রায় ২০০ সাধারণ কর্মচারী ও শ্রমিককে বন্দর ভবনের সম্মেলন কক্ষে জরুরি সভায় উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেয়। তবে আন্দোলনরত শ্রমিক সংগঠন এই বৈঠক প্রত্যাখ্যান করেছে।

এর আগে শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দেন বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন। তিনি জানান, এনসিটি ইজারা বাতিলের পাশাপাশি আরও কয়েকটি দাবিতে তারা আন্দোলনে নেমেছেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানকে প্রত্যাহার, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া সব শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাতিল এবং শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা ও আইনি হয়রানি বন্ধ।

পরিষদের সমন্বয়ক ও বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম খোকন বলেন, ‘সকাল ৮টা থেকে বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মবিরতি চলবে।’

তিনি অভিযোগ করেন, আন্দোলন দমাতে শ্রমিক নেতাদের ভয়ভীতি ও হয়রানি করা হচ্ছে। প্রশাসনের লোক পরিচয়ে দুই শ্রমিক নেতা শামসু মিয়া টুকু ও আবুল কালাম আজাদকে তুলে নেওয়ার ঘটনাও উল্লেখ করেন তিনি।

বন্দর রক্ষা পরিষদের আরেক সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবির জানান, এর আগে ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দৈনিক আট ঘণ্টা এবং ৩ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা কর্মবিরতি পালন করা হয়েছিল। নৌ উপদেষ্টার আশ্বাসে শুক্রবার ও শনিবার কর্মসূচি স্থগিত রাখা হলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় এবার কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

এদিকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (বন্দর) মো. আমিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - চট্রগ্রাম প্রতিদিন

Link copied!