AB Bank
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
ekusheysangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ঢেলে সাজানো হচ্ছে মাঠ প্রশাসন, ডিসি পদে শিগগিরই রদবদল


Ekushey Sangbad
মুহাম্মদ আসাদ
০১:১৪ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
ঢেলে সাজানো হচ্ছে মাঠ প্রশাসন, ডিসি পদে শিগগিরই রদবদল

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তথা মাঠ প্রশাসনে শিগগিরই রদবদল নিয়ে আসছে সরকার। এই প্রক্রিয়ায় যেসব কর্মকর্তা (ডিসি-এসপি-ইউএনও এবং ওসি) দায়িত্ব পাবেন মূলত তারা আগামী নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে বর্তমানে ২২, ২৪ ও ২৫তম বিসিএস কর্মকর্তারা এখন দায়িত্বে আছেন। এসব কর্মকর্তাদের বেশির ভাগই দুই কিংবা তিন বছর ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। দুই বছর ক্ষেত্রবিশেষ তিন বছর মাঠ প্রশাসনের কোনো পদে চাকরিকাল সম্পন্ন হলে তাদের প্রত্যাহার করা হয়।

 

আগামীতে ২৭তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের সংখ্যাগত দিক বিবেচনায় প্রাধান্য দিয়ে জেলা প্রশাসক পদে নিয়োগ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এ উদ্দেশ্যে এই ব্যাচের মধ্যে জেলা প্রশাসক পদের জন্য যোগ্য কর্মকর্তা বাছাই করতে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বাছাই পরীক্ষা শুরু হবে। ১৪১ জন কর্মকর্তাকে ঐ পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়েছে। অপরদিকে ২৫ ব্যাচের ৯০ জন কর্মকর্তাকেও ডাকা হয়েছে। অপর দিকে ২৫ ব্যাচের অনেক কর্মকর্তা দ্বিতীয় বারের জন্য ডাক পেয়েছেন।

 

৬৪ জেলার মধ্যে অর্ধেকের বেশি পদে ২৭তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের ডিসি হিসেবে দেখা যাবে। ২৫তম ব্যাচের কিছু কর্মকর্তাও থাকবেন। তবে ২২ ও ২৪ ব্যাচের কোনো কর্মকর্তা নির্বাচনকালীন সময়ে ডিসি থাকতে পারছেন না। কারণ ইতিমধ্যে মাঠ প্রশাসনে তাদের দুই বছরের বেশি সময় পার হয়ে যাবে।

 

এদিকে পুলিশ সুপার পদেও আনা হচ্ছে বড় পরিবর্তন। যদিও পরিবর্তন প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে চলমান রয়েছে। এসপি পদেও ২৪ ব্যাচের সীমিত সংখ্যক কর্মকর্তাকে দায়িত্বে রাখার পক্ষে মন্ত্রণালয়। এক্ষেত্রে এগিয়ে থাকতে পারেন ২৭ ব্যাচের কর্মকর্তারা। ২৪ ও ২৫ ব্যাচের যেসব কর্মকর্তার নিয়োগ হয়েছিল সে সময় একটি বিশেষ ভবন থেকে তালিকা করে পিএসসিতে দেওয়া হতো এবং তাদেরই বেশির ভাগ নিয়োগ পেতেন।  তখন এসব নিয়ে সমালোচনাও হয়েছে।

 

২০০৪ এবং ২০০৫ সালে যেসব ইউএনও এবং ওসি নিয়োগপ্রাপ্ত তাদের অধিকাংশই প্রত্যাহার হবেন এই রদবদল প্রক্রিয়ায়। কারণ সে সময় ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের স্বেচ্ছাধীন সিদ্ধান্তে নিয়োগের ঘটনা বেশি হতো। মেধার পরিমাপ কম হতো।

 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন  এবিষয়ে বলেন, কে কখন নিয়োগ পেয়েছে সেটি বিবেচনার বিষয় নয়। বিবেচনা করা হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি কর্মকর্তাদের আনুগত্য, সক্ষমতা দক্ষতা এবং পূর্ববর্তী কর্মস্থলে তার কাজের মান। রাজনৈতিক সরকারের সঙ্গে মানিয়ে চলার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে সেসব কর্মকর্তাকে মাঠ প্রশাসনে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হবে না।

 

সূত্র আরো জানায়,  কেন্দ্রীয় প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদ মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব শূন্যজনিত কারণে পূরণ করার পর এখন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ কেন্দ্রীক সচিব ও মধ্যম স্তরের কর্মকর্তাদের সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

 

একুশে সংবাদ/আ.জ.প্র/জাহাঙ্গীর

Link copied!