AB Bank
  • ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

‘নেশায় ডুবে থাকতাম দিনরাত...’, সংসার চালাতেন স্ত্রী, কার কথায় জীবন বদলেছে ববির?


Ekushey Sangbad
বিনোদন ডেস্ক
০৬:১৯ পিএম, ১ জুন, ২০২৬

‘নেশায় ডুবে থাকতাম দিনরাত...’, সংসার চালাতেন স্ত্রী, কার কথায় জীবন বদলেছে ববির?

বলিউডে হরেক ঘরানার ছবিতে অভিনয় করেও তেমন জায়গা করে নিতে পারেননি ববি দেওল। নব্বইয়ের দশকে উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু সুপারহিট সিনেমা। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কর্পূরের মতো উড়তে থাকে সেই সাফল্য। একপর্যায়ে হারিয়েই যেতে বসেছিলেন তারকা সন্তান ববি দেওল। অবশেষে ‘অ্যানিম্যাল’ সিনেমার হাত ধরে ক্যারিয়ারে নয়া মোড় আসে এই অভিনেতার।

চারদিকে যখন তাকে নিয়ে তুমুল প্রশংসা, ঠিক তখনই নিজের জীবনের এক ভয়ঙ্কর অন্ধকার অধ্যায় নিয়ে মুখ খুললেন ববি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ববি দেওল জানান, একটা সময় চরম বেকারত্ব আর তীব্র মদের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকতেন তিনি। কাজ না থাকায় আয়ের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, সংসারের খরচ চালানোর মতো টাকাও ছিল না তার কাছে।

সেই কঠিন সময়ে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন স্ত্রী তান্যা দেওল। ববি ঘরে বসে থাকলেও তান্যা একাই সামলেছেন সংসারের যাবতীয় খরচ। অতীতের সেই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে ববি বলেন, ‘মদের নেশা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। আমি যে প্রতিদিন মদ খেতাম, তা কিন্তু নয়। তবে যখনই খেতাম, তখনই সম্পূর্ণ অন্যরকম এক মানুষ হয়ে যেতাম। নেশার ঘোরে নিজেকে ডুবিয়ে রাখতাম।’

এই তারকা অভিনেতার এমন দুঃসময়ে পাশে ছিলেন না চেনা মানুষদের কেউই। সবাই একে একে দূরত্বের দেয়াল টেনেছিলেন। তবে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল তার স্ত্রী। ববি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘তান্যা চাইলে ওই পরিস্থিতিতে আমাকে ছেড়ে চলেও যেতে পারত। সেই অধিকার তার ছিল। কিন্তু ও কখনও আমাকে ছেড়ে যায়নি, বরং সবসময় পাশে থেকে সাহস জুগিয়েছে। ও পাশে না থাকলে আমি হয়তো চিরতরে ভেসে যেতাম।’

তবে শুধু স্ত্রীর ত্যাগই নয়, ববির জীবনে ফেরার পেছনে কাজ করেছে বড় ছেলে আর্যমানের একটি আকস্মিক প্রশ্নও। ববি জানান, একদিন ঘরে বসে থাকার সময় ছোট ছেলে আর্যমান তার মাকে জিজ্ঞেস করে, ‘মা, তুমি কেন রোজ অফিসে যাও, আর বাবা কেন সারাদিন বাড়িতে বসে থাকে?’

ছেলের মুখে এই সরল কিন্তু কঠিন প্রশ্নটি তীরের মতো গিয়ে বিঁধেছিল ববির বুকে। আর তাতেই সম্বিত ফেরে অভিনেতার। নিজের ভুল বুঝতে পেরে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর তাড়না অনুভব করেন তিনি। এরপরই মদের নেশা ও অলসতা ছেড়ে আবার নিজেকে প্রস্তুত করতে শুরু করেন ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর জন্য।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!